রামগঞ্জে ভূমিদস্যু সিরাজ ও বাবুলের খুঁটির জোর কোথায়

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পদ্মা বাজারে চাঁদা না পাওয়ায় দুস্কৃতিকারী ও চিহিৃত ভুমিদস্যুরা ব্যবসায়ী আবুল কালাম,ইব্রাহিম খলিল সোহাগের র্নিমানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সৃষ্ঠ ঘটনায় বাজার ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি ডাঃ আবু তাহের ও সাধারন সম্পাদক মোরশেদুল আমিন বাবু জানান,লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ থেকে ১৯৮৪ সালে লীজ নিয়ে চন্ডিপুর গ্রামের জনৈক আঃ রব বেপারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মান করে ব্যবসা করেন। কয়েক বছর ব্যবসা করার পর প্রতিষ্ঠানটি একই গ্রামের আবুল কালাম ও ইব্রাহিম খলিলের কাছে হস্তান্তর করেন। আবুল কালাম,ইব্রাহিম খলিল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি ক্রয় করে ব্যবসা করতে থাকে। ব্যবসায়ী আবুল কালাম ও ইব্রাহিম খলিল সোহাগ বলেন,কিছু দিন পুর্বে আমরা পুরাতন জরাজীর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি ভেঙ্গে নতুন করে নির্মান কাজ শুরু করলে এলাকার চিহিৃত দুস্কৃতিকারী ও ভূমিদস্যু সিরাজ মিয়া এবং বাবুল মিয়া এসে বাধা দিয়ে টাকা দাবী করে।

তাদের চাহিদা মোতাবেক টাকা না দেওয়ায় নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয় এবং সারাক্ষন সন্ত্রাসী পাহারা বসিয়ে রাখে। বাজার ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া পৌর সভাতে রোলার চালকের চাকুরী থাকাবস্থায় মেয়র সাহেবের দাপট দেখিয়ে এলাকাতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতো। তা ছাড়া গত জোট সরকারের আমলে সিরাজ বাহিনীর অত্যাচারে চন্ডিপুর ইউনিয়নের সাধারণ জনগন অতিষ্ঠ ছিলো এবং স্হানীয় মন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়া ছিলো তার বেয়াই। ভুক্ত ভোগীরা পৌর মেয়র আবুল খায়ের পাটোয়ারীর ধারস্থ হয়।

পৌর মেয়র বিভিন্ন ভাবে তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে ৯মাস পুর্বে তাকে চাকুরীচ্যুত করে। এব্যাপারে জানতে চাইলে বাবুল মিয়া বলেন, জেলা পরিষদের নয়,সম্পত্তি চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের। পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাদের তিন জনের নামে সম্পত্তি লীজ দিয়েছে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র চাইলে এমন কোন কাগজ পত্র বাবুল ও সিরাজ মিয়া দেখাতে পারে নাই। আবুল কালাম জানান, এই সম্পত্তির নিয়ে আদালতে মামলা ছিলো মামলা আমাদের দখল স্বত্বে আমাদের পক্ষে রায় হয়।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর