১৪, ডিসেম্বর, ২০১৮, শুক্রবার | | ৫ রবিউস সানি ১৪৪০

পাঠাও এর এ্যাম্বাসেডর হলেন মাশরাফি বিন মোর্তজা

আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০১৮

পাঠাও এর এ্যাম্বাসেডর হলেন  মাশরাফি বিন মোর্তজা

দেশের বৃহত্তম ডিজিটাল প্লাটফর্ম পাঠাও কিংবদন্তী ক্রিকেটার, বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের ওডিআই ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মুর্তজাকে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষনা করেছে।

পাঠাওয়ের সঙ্গে মাশরাফি বিন মুর্তজার নতুন এই যৌথ যাত্রা সমাজে ক্ষমতায়ন, জীবনযাত্রার রুপান্তর, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ দেশকে এগিয়ে নিতে অত্যন্ত কার্যকরি ভূমিকা রাখবে।
পাঠাও’ এর সিইও জনাব হুসেইন এম ইলিয়াস বলেন, ‘মাশরাফি বিন মুর্তজাকে পাঠাও’এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে পেয়ে আমরা খুবই আনন্দবোধ করছি। সুদীর্ঘ সময় ধরে তিনি বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করে চলেছেন। দেশের প্রতি তাঁর নিঃস্বার্থ ভালবাসা সর্বজন স্বীকৃত। তার প্রতিটি কর্মকান্ডে রয়েছে দেশপ্রেমের ছোঁয়া। আমরা বিশ্বাস করি মাশরাফির দৃঢ় উপস্থিতি বাংলাদেশের ডিজিটাল খাত বিনির্মানে ভূমিকা রাখবে। মাশরাফির এই উপস্থিতি বাংলাদেশকে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে কার্যকরি ভূমিকা রাখবে।

মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন, ‘আমি অনেকদিন ধরে লক্ষ্য করছি যে কিভাবে পাঠাও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় কার্যকরী ভূমিকা রেখে চলেছে। এমনকি দেশের বাইরেও পাঠাও তার সেবা’র ক্ষেত্র বিস্তৃত করেছে। একজন বাংলাদেশি খেলোয়াড় হিসেবে দৃঢ়তার সঙ্গে বলা যায়, লক্ষ লক্ষ্য মানুষের সময় ও অর্থ রক্ষা করবে এবং সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। আমি আশা করছি আমাদের এই যৌথ যাত্রার মাধ্যমে সকল বাঁধাকে বোল্ড আউট কওে আমরা উজ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাবো।’

দেশজুড়ে ডিজিটাল প্লাটফর্মে মানুষের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে পাঠাও কাজ করে যাচ্ছে। আর সে জন্যেই ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, নারায়নগঞ্জ এবং গাজীপুরে হাজার হাজার চালক, ক্যাপ্টেন এবং সাইক্লিস্টদের সুযোগ করে দিচ্ছে। মাশরাফির এই উপস্থিতিতে পাঠাও আশা করছে সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাদেও সকল সেবা পৌছে দেয়া যাবে এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে।


পাঠাও সম্পর্কে

পাঠাও বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রূত গতিতে বেড়ে চলা প্রযুক্তি-ভিত্তিক স্টার্ট আপ। দেশের কাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যার মোকাবেলায় তারা গড়ে তুলছে বা¯তবমূখী ও বা¯তবায়নযোগ্য সমাধান। সর্ববৃহৎ ই-কমার্স ডেলিভারি কোম্পানি এবং অন্যতম জনপ্রিয় রাইড-শেয়ারিং পরিবহন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার পর তারা এখন চালু করেছে খাবার, র্পাসলে ও নত্যি প্রয়োজনীয় আইটমে ডেলিভারি সেবা, আর এই সকল সেবা এখন পাওয়া যাচ্ছে একই প্ল্যাটফর্মে। হাজার হাজার মোটরবাইক, গাড়ি ও বাইসাইকেল এর প্রগতিশীল সমন্বয়ে এবং বিশ্বমানের প্রযুক্তির সাহায্যে তাদের সমাধানগুলো বাংলাদেশকে নিয়ে যাচ্ছে আগামীর পথে।