কুমিল্লার তিতাস উপজেলা শাহাপুর গ্রামের সু নামধন্য ব্যাক্তি, দানবীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মালোশিয়া প্রবাসী রহম আলি সরকারের ছেলে মোঃ নাছির আলম সরকার তার বৃদ্ধ অসুস্থ মাকে দেখতে এসে হামলার শিকার হন একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের বাহীনির হাতে।
তাকে স্থানীরা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। নাছির আলম সরকার জানান,আমি আমার মায়ের অসুস্থর খবর পেয়ে দেশে আসি, মাকে দেখার পর সকল আতœীয় স্বজনদের সাথে দেখা করে ঢাকা যাওয়ার পথে শাহাপুর উত্তর পাড়া জামে মসজিদের এখানে পৌছলে একই গ্রামের মৃত আয়ুব আলীর ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম ও তাহার বাতিজাসহ বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে আমার উপর হামলা।
এঘটনায় নাছির আলম সরকারে স্ত্রী বাদী হয়ে রফিকুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে কুমিল্লা কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,নাছিরের সাথে রফিকুল ইসলামের দির্ঘদিন যাবত আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্ধ চলে আসছে, নাছির এলাকায় আসাটাকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না রফিকুল ইসলাম ও তার বাহীনি।
তাই ধারণা করা হচ্ছে সেই কারনেই নাছিরের উপর এই হামলা চালিয়েছে। ইউপি সদস্য হানু বেগম জানান, এই রফিকের ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা যদি কেউ খুলে তাহলে সে বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে মানুষের উপর অত্যাচার করে। তিনি আরো বলেন,রফিক তার স্বামী সুন্দর আলীকে মালোশিয়ায় সন্ত্রাসী দিয়ে খুন করিয়েছেন ঐসময় তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে কিন্তু ভয়ে ও হুমকি দামকিতে আমরা কিছু করতে পারি নাই।
সে আবার আমাদের উপর অন্যায় অত্যাচার শুরু করেছে, আমার ছেলেকে বাবার মত মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়, আমরা প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করছি। মোঃ হাসান আলী বলেন,কয়েক বছর আগে এই রফিক আমার প্রজেক্টের প্রায় ৮৪ হাজার মাছ মেরে ফেলেছিল যার মূল্য ছিল প্রায় ১০ লাখ টাকা । এবিষয়ে রফিককে প্রধান আসামী দিয়ে মামলা করলেও একটি প্রভাবশালী মহলের ভয়ে সঠিক বিচার পায়নি। এলাকাবাসী আরো জানান,নাছির সরকার এলাকায় ভাল কাজ করতে গেলেই রফিকুল ও তার দলবল নিয়ে এসে বাধার সৃষ্টি করে ।
যেমন নাছির মসজি ,মাদ্রাসা ,এতিম খানাসহ গরীব দুঃখি মানুষকে সাহায্য করে থাকে। আর রফিক এলাকায় কাজ করবে বলে উপজেলা থেকে টিয়ার কাবিখার টাকা তুলে এনে নিজেই খেয়ে ফেলে।
এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম জানান, আমি একজন সমাজ সেবক আমার দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে এনিয়ে আমি ব্যস্ত সময় পার করছি, এই অভিযোগের সাথে আমি কোনক্রমেই জরিত না এই সব মিথ্যা ও বানোয়াট।
বার্তাবাজার/এস.আর