সাতক্ষীরায় পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো নব মুসলিম এক যুবককে অপর দুই যুবক কর্তৃক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির চেষ্টা, খুন জখমের হুমকি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে উক্ত সংবাদ সম্মেলন করেন, আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের রামেশ্বর গাইনের ছেলে নবমুসলিম সিদ্দিকুর রহমান ওরফে যুগোল।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি ৯/১০ বছর পূর্বে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে একজন মুসলিম মেয়ের সাথে বিবাহ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছিলাম। আমার একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। ইসলাম গ্রহণ করায় আমার পিতা-মাতাসহ পরিবারের সকলেই আমাকে ত্যাগ করে। জীবিকা নির্বাহের জন্য আমি শহরের সংগ্রাম হাসপাতালে চাকুরি করতাম। হাসপাতালে যাওয়ার আসার সুবাদে পরিচয় ঘটে পুরাতন সাতক্ষীরা বদ্দীপুর কলোনী এলাকার নাসির উদ্দীনের পুত্র কাজী ফখরুল ইসলাম রিপনের সাথে। রিপনের মিষ্টি মধুর কথায় তাকে বিশ্বাস করে ধীর ধীর সম্পর্ক তৈরি হয়। এদিকে, হাসপাতালের বেতনের টাকায় সংসার ভালো চলছিলনা।
সে কারণে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে একটি ফার্মেসী করার সিদ্ধান্ত নিলে রিপন আমাকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। সরল বিশ্বাসে তার কাছে ট্রেড লাইসেন্স করার দায়িত্ব দিয়ে আমি চাকুরির পরীক্ষা দেওয়ার জন্য রাজশাহীতে যায়। ফিরে এসে দেখি আমার ৬০ হাজার টাকা খরচ করে ডেকারেশন করা দোকানে সে নিজের নামে ট্রেড লাইসেন্স করে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে। আমি এ বিষয় জানতে চাইলে রিপন আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, খুন জখম ও বাড়িতে মাদকদ্রব্য রেখে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার হুমকি প্রদর্শন করে। আমি কোন উপায় না পেয়ে আওয়ামীলীগের কিছু বড় ভাইকে জানানোর পর তারা রিপনকে বিষয়টি নিয়ে বসলে রিপন ওই জায়গা এবং ডেকারশেন বাবদ আমাকে ৪৫ হাজার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলেও টাকা না নিয়ে টালবাহানা করতে থাকে এবং রাস্তা-ঘাট আমাকে খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে এবং ডিবি পুলিশসহ বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বাড়িতে পাঠিয়ে হয়রানির চেষ্টা চালায়। তিনি এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।