কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ॥ কৃষক স্বার্থ রক্ষায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মুনিবুর রহমানের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন অবৈধ খাল ও স্লুইগেট দখলদার উচ্ছেদে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বালিয়াতলী ইউনিয়নের পানথির খাল বন্ধ করে সুক্ষ্ম ফাঁসের জাল দিয়ে আটটি মাছ শিকার করার স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে এবং আটক করা জাল পুড়িয়ে এবং কেটে ফেলা হয়।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কোন ধনণের পানির প্রতিবন্ধকতা এবার আর পরতে হবেনা কৃষকদের। খাল দখল মুক্ত করতে মরিয়া কলাপাড়ার উপজেলা প্রশাসন। স্বতিতে কৃষিকাজের স্বার্থে কৃষকের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে দ্বিতীয় দিনের মতো মঙ্গলবার বিকেলে খালের অবৈধ বাঁধ, খালে ও স্লুইস গেটে পেতে রাখা সুক্ষ্ম ফাঁসের জাল অপসারনে কাজ করেছে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন। ইউএনও মো. মুনিবুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপ দাশ বালিয়াতলী ইউনিয়নের পানথির খালের আটটি জাল অপসারন করেছেন। দখলমুক্ত করা হয়েছে লেমুপাড়ার পানি নিষ্কাশনের স্লুইস। এছাড়া সোমবার নীলগঞ্জের যুগির খালের পাঁচটি জাল পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। পাখিমারা আদর্শগ্রাম সংলগ্ন টুঙ্গিবাড়িয়ার খালের বাঁধ অপসারন করা হয়। চাকামইয়ার দিত্তা আবাসন সংলগ্ন কালভার্টের অগ্রভাগের বাঁধ কেটে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য এক শ্রেণির প্রভাবশালীমহল সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছের ঘের করে কৃষকের সর্বনাশ করে দেয়। এছাড়া স্লুইসগেট আটকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে আসছে। ইউএনও জানান, কৃষিকাজে কৃষকের প্রতিবন্ধকতাকারীচক্র সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন করে আসছে। এটি করতে দেয়া হবেনা। কৃষক সুলতান গাজী জানান, কৃষকের স্বার্থে দীর্ঘদিন পরে খালের ও স্লুইসের জাল অপসারন করায় তাদের মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে। একটি প্রভাবশালীমহল দীর্ঘ বছরের পর বছর কৃষিকাজের ব্যবহারের স্লুইস কথিত ইজারা দিয়ে মাছ শিকার করা হতো। তা বন্ধ করায় কৃষকের কৃষিকাজের দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে।
বার্তাবাজার/এসআর