১৪, ডিসেম্বর, ২০১৮, শুক্রবার | | ৫ রবিউস সানি ১৪৪০

চেয়ারম্যান-পৌর মেয়রদের পদত্যাগের হিড়িক

আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০১৮

চেয়ারম্যান-পৌর মেয়রদের পদত্যাগের হিড়িক

আগামী ৩০ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য করে পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রদের মধ্যে। এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ২৪ জন জনপ্রতিনিধি পদত্যাগ করেছেন।

গত ২৪ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সভায় সিদ্ধান্ত হয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা মেয়ররা পদে থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। প্রার্থী হতে হলে আগে পদত্যাগ করতে হবে তাদের।

তবে এ বিষয়ে মাঠ কর্মকর্তাদের লিখিত কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি, ইসির পক্ষ থেকে মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসির মতে, লিখিত নির্দেশ দেওয়া হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ কেউ আদালতে গিয়ে মামলা করে নির্বাচনকে বিঘ্নিত করতে পারেন। ইসির এমন সিদ্ধান্তের পর-পরই চেয়ারম্যান ও মেয়রদের পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ন সচিব জিয়াউদ্দীন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ২৪-২৫ জনের পদত্যাগপত্র পেয়েছি। আদেশ জারির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

জানা গেছে, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল, রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজহারুল মান্নান, যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, পিরোজপরের মঠবাড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আশরাফুর রহমান পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

এছাড়াও টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু, একই জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাজেদুর রহমানও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিয়ম অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্রগুলো জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে জমা দেয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়ররা। জেলা প্রশাসকরা সেগুলো পাঠিয়ে দেন স্থানীয় সরকার বিভাগে। এরপর পদত্যাগপত্র গ্রহণ ও পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় ফাইলগুলোতে সাক্ষর করার পর প্রজ্ঞাপন জারি হবে।’