টেন্ডার বানিজ্য করবে না ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রলীগ, বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি এসএম রবিউল ইসলাম পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
সোমবার উপাচার্যের কার্যালয়ে বহিরাগতদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো থেকে অবৈধ ও অছাত্রত্বদের বিতাড়িত করে বৈধ শিক্ষার্থীদের থাকার সুযোগ করে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা নিরসনসহ টেন্ডারবাজিতে ছাত্রলীগের নামে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী জানায় ছাত্রলীগের নেতারা।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী বরাবর টেন্ডার বানিজ্যর সাথে ইবি ছাত্রলীগ জড়িত নয় বলে দাবী জানায় তারা। ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এমন কর্মকাণ্ড যে করবে তাদের শাস্তির দাবী জানানো হয়।
বিভিন্ন গনমাধ্যামে প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ই আগস্ট বহিরাগত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আলমগীর হোসেন আলো ও যুবায়ের হোসেনের নেতৃত্বে টেন্ডারকে কেন্দ্র করে শোডাউন দেয়া হয়। এসময় ছাত্রলীগের শীর্ষপদ বঞ্চিত ইংরেজি বিভাগের তন্ময় সাহা টনি দাবী করেন বর্তমান ছাত্রলীগের কিছু কার্যক্রমে আমরা সন্তুষ্ট না, তারা মিউচুয়ালভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছেনা। টেন্ডার থেকে শুরু করে যেকোন কাজে যদি অসঙ্গতিপূর্ণ কাজ করে তাহলে সেটা আমারা মেনে নিবোনা।
এ সময় ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় যে স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছে তা পূরণে ছাত্রলীগ সর্বাত্মক সহায়তা করবে এবং ছাত্রলীগের ব্যানারে কেউ টেন্ডারবাজি বা যে কোন প্রকার অনৈতিক কাজ করলে তাহলে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ছাত্রলীগ কখনো টেন্ডার বা কোন অনৈতিক কাজ করেনা বা করবেনা। বহিরাগত একটা মহল আমাদের বিতর্কিত করতে চাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩৭ কোটি টাকার উন্নয়নে যদি কোন বহিরাগত বা অপশক্তি বাঁধাগ্রস্ত করে তবে ইবি ছাত্রলীগ তা শক্ত হাতে প্রতিহত করবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী বলেন, আমাদের সততা, স্বচ্ছতা, আন্তরিকতা ও ভাল টিমওয়ার্ক আছে। আমরা যদি এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারি তবে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সর্বোচ্চ সুবিচার হবে ও ইবি দেশের দৃষ্টিনন্দন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে।
ছাত্রলীগের এই সোনার কর্মীরা যদি থাকে তাহলে এখানে শুধু এই প্রকল্পের কাজ নয় যে কাজ জননেত্রী শেখ হাসিনার মুখ উজ্জ্বল করবে তা ম্লান করার সাহস কোন অপশক্তির হয়নি।
ছাত্রলীগ টেন্ডারে নাক গলাবেনা এটা সুন্দর কথা। এখানে শেখ হাসিনা সরকারের নির্দেশিত পথে ইলেকট্রনিক টেন্ডার হচ্ছে। আমি মনে করি ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী অতন্দ্রপহরীর মত শেখ হাসিনার প্রদত্ত প্রকল্প বাস্তবায়নে শেষদিন পর্যন্ত কাজ করবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যাক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা,সিন্ডকেট সদস্য ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড.মাহবুবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক পরিকল্পনা উন্নয়ন এস এম আলী হাসান।এছাড়াও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোস্তাফিজ রাকিব