শেরপুর জেলার সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের দিঘলদী মোল্লাপাড়া গ্রামের লিটন মিয়া (১৯) হত্যা মামলার ১৩ আসামী ১৮ আগস্ট রোববার দুপুরে শেরপুরের জিআর আমলী আদালতে আত্মসমর্পণ করে আসামী পক্ষের আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শরিফুল ইসলাম সকল আসামীর জামিন না মঞ্জুর করে তাদের শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামীরা হলেন- সদর উপজেলার দিঘলদী মোল্লাপাড়া গ্রামের নিলু মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া (২০), রইছ উদ্দিনের ছেলে রাকিব (২০), সদর আলীর ছেলে শহিদুল (৩৭), শহিদুলের ছেলে মিঠুন মিয়া (১৯), ফালু মিয়ার ছেলে মিসকিন (৪০), আইজদ্দিনের ছেলে হাফিজুর (২৫), আইজদ্দিনের ছেলে আশরাফ (৫০), রবিজল (৩০) ও মিনহাজ (৪৫), শাহমদের ছেলে বাহেজ (৫৫), হামেদ আলীর ছেলে ছাইদুল (৩৫), সদর আলীর ছেলে আঃ জলিল (৪২) ও মন্ডর ছেলে অমন হোসেন (৩৮)।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জুলাই সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের দিঘলদী মোল্লাপাড়া গ্রামের রহেজ উদ্দিনের ছেলে লিটন মিয়া বাড়ী থেকে বের হয়। এর পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতে লিটনকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার পরিবার। শেষ পর্যন্ত সে বাড়ী ফিরে না আসায় সকালেও তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে। পরদিন ২ জুলাই দুপুরে বাড়ী থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের একই গ্রামের কৃষক আনিছুর রহমানের একটি ধানক্ষেতে লিটনের গলাকাটা ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পরে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে সদর থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় লিটনের বাবা রহেজ উদ্দিন শেরপুর সদর থানায় উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার পর থেকে আসামীরা গ্রেফতার এড়াতে পলাতক থাকে। অবশেষে রোববার দুপুরে ওই ১৩ আসামী স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাদের জামিন নাকচ করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি