১৫, ডিসেম্বর, ২০১৮, শনিবার | | ৬ রবিউস সানি ১৪৪০

ভুট্টা চাষে ভাগ্য ফিরেছে শেরপুরের চাষিদের

আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০১৮

ভুট্টা চাষে ভাগ্য ফিরেছে শেরপুরের চাষিদের

।। রাশেদুল হক, শেরপুর (বগুড়া) থেকে ।।
বগুড়ার শেরপুরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ভুট্টা চাষ। উৎপাদন খরচ কম, ভালো ফলন ও লাভ বেশি হওয়ায় এ উপজেলার কৃষকরা দিন দিন ঝুঁকে পড়ছে ভুট্টা চাষে। আর এতে ভাগ্যও বদল হতে শুরু করেছে এখানকার কৃষকদের। ফলে অতীতের অন্য ফসল উৎপাদনের লোকসান পুষিয়ে নিতে ভুট্টা চাষে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

উপজেলার খানপুর, খামারকান্দি ও সীমাবাড়ি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, কম পরিশ্রমে লাভবান হওয়ায় ধান ও অন্য ফসলের বিকল্প হিসেবে ভুট্টার আবাদ করছেন কৃষকরা।
খানপুর ইউনিয়নের শালফা গ্রামের কৃষক রফিক জানান, গত বছর ১০ বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করে প্রায় ৩২৫ মণ ভুট্টা পেয়েছি। যা বিক্র করেছিলাম ৬৫০ টাকা মণ। এবার ভুট্টা চাষের জমি আরেকটু বাড়াবো

যাতে করে আরো একটু লাভবান হতে পারি। তিনি আরও জানান, ধানের আবাদ করলে বছরে দু’টির বেশি ফসল আবাদ করা যায় না। আর ভুট্টা চাষের পরেও আরো দু’টি ফসল ফলানো সম্ভব।

খামারকান্দি ইউনিয়নের ভাতারিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, ‘ভুট্টা আবাদের জমি আমাদের এলাকায় প্রতি বছর বাড়ছে। ভুট্টা আবাদ করে অন্যান্য ফসলের লোকসান তোলার চেষ্ট করছি। এখন আল্লাহ ভরসা।

একই ইউনিয়নের বোয়ালমারি গ্রামের রুহুল আমিন জানান, আমার নিজের কোনো জমি নেই। তাই প্রতি বছর জমি বর্গা নিয়ে ভুট্টার আবাদ করে লাভবান হচ্ছি। তার দেখাদেখি এলাকার অনেক কৃষকও ভুট্টা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শারমিন আক্তার জানান, গত বছর ভুট্টার লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিল ২ হাজার ৫’শ ৮০ হেক্টর হমি। এ বছরেও একই লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। সিজনের শুরুতেই কৃষক প্রায় ১ হাজার ২’শ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ করেছে। এতে করে গত বছরের লক্ষমাত্রাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।