শেষ পর্যন্ত এতিমদের হকটাও মেরে খেলেন

দেশে কোরবানির চামড়া নিয়ে শুরু হয়েছে অন্য রকমের ব্যবসা। কোনো ব্যবসায়ীই এখন চামড়া কিনছেন না। ফলে দাম নেই চামড়ার। বিক্রি করতে এসে পরিবহনের খরচই তুলতে পারছে না কেউ।

উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় কেউ কেউ চামড়া গর্ত করে পুঁতে ফেলছেন। বুলডোজার দিয়ে আবর্জনার ভাগাড়ে ফেলে দেয়া হচ্ছে কোরবানির পশুর চামড়া। এভাবেই দেশের বিভিন্ন স্থানে চামড়া নষ্ট করছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।

এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে সমালোচনা ও প্রতিবাদ। অনেকে লিখেছেন চামড়া না কিনে শেষ পর্যন্ত এতিমদের হকটাও মেরে খেলেন। আবার কেউ কেউ লিখেছেন আল্লাহ এদের বিচার করুক।

নূর ইসলাম নুরু নামে একজন তার ফেসবুক ওয়ালে বেশকিছু ছবি ও ভিডিও আপলোড করেছেন। তাতে তিনি লিখেছেন, চট্টগ্রামের আতুরার ডিপো এলাকার চামড়ার বাজারে চট্টগ্রামের শহর ও গ্রাম থেকে আনা বিপুলসংখ্যক চামড়া বিক্রি করতে না পেরে ফেলে রেখে চলে গেছেন বিভিন্ন এতিমখানা, মাদ্রাসা আর মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।

আড়তদারেরা ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করতে না পারায় এবং চামড়ার নিম্নদরের কারণে চামড়া ক্রয় বন্ধ করে দেয়। সিটি করপোরেশন এই চামড়াগুলো অপসারণ করছে। শেষ পর্যন্ত এতিমদের হকটাও মেরে খেলেন। মনে রাখবেন একদিন আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

বার্তাবাজার/কেএ

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর