সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। উপজেলার দেওহাটা স্থায়ী পশুর হাটে ঈদুল আযহা উপলক্ষে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে কোরবানির পশুর হাট। তিন দিনব্যাপী এই হাট ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছে হাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষ।
পশুর হাটে এ বছর গরু-ছাগল ও মহিষের দাম গত বছরের চেয়ে অনেক চড়া। গরু-ছাগলের দাম চড়া হওয়ায় হাটে ক্রেতাগণ এসে পরেছেন চরম বিপাকে। বন্যার এবং ভারত থেকে গরু আসছে না এই অজুহাতে গৃহস্থরা ও বেপারীরা গরু-ছাগল ও মহিষের দাম ন্যায্য দামের চেয়ে তিন থেকে চারগুণ দাম হাঁকছেন বলে ক্রেতাগণ অভিযোগ করেছেন। আজ মির্জাপুর উপজেলার কোরবানির পশুর হাট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন দেওহাটা ও তক্তারচালা পশুর হাটে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
পশুর হাটে কোরবানির পশু ক্রয় করতে এসেছিলেন মো:সিরাজ উদ্দিন, মাঝারি সাইজের একটি গরু কেনার জন্য দেওহাটা পশুর হাটে এসে দেখতে পান মাঝারি সাইজের একটি গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকায়। অথচ গত বছর এই একই সাইজের গরু বিক্রি হয়েছে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
উপজেলার দেওহাটা পশুর হাট এছাড়াও উপজেলার তরফপুর ও বাঁশতৈল ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে কাইতলা স্থায়ী ও টাকিয়া কদমা অস্থায়ী পশুর হাটে বেচাকেনা শুরু হয়েছেবলে ব্যাপারী ও গৃহস্থরা জানিয়েছেন।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সায়েদুর রহমান বলেন, কোরবানি পশুর হাটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ছাড়াও হাটের ইজারাদারগণ ক্রেতা ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ব্যাপারীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি