আজ শনিবার সকাল ১১:৫৬, ২৫শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৬ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

কোচের সঙ্গে সমস্যা নিয়ে যা বললেন তামিম

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : অক্টোবর ১৮, ২০১৭ , ১২:২৬ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : ক্রিকেট
পোস্টটি শেয়ার করুন

ঊরুর চোটের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ও প্রথম ওয়ানডে খেলতে পারেননি বাংলাদেশ দলের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। কিছুটা সুস্থতা অনুভব করায় প্রথম ওয়ানডেতে তার খেলার কথা ছিল। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শেই মাঠে নামেননি তিনি। আর তামিমের না খেলা নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি।

গুঞ্জন উঠেছিল কোচ চান্দিকা হাতুরুসিংহের সঙ্গে ঝগড়া করেই ম্যাচে জায়গা হারিয়েছেন তামিম। তবে এসব কিছুই সত্য নয় বলে জানালেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান।

অনুশীলনে রেগে গিয়ে কোচের দিকে ব্যাট ছুড়ে মেরেছেন তামিম। এমন গুঞ্জনকে আগেই মিথ্যে বলে জানিয়ে দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। এবার তামিম নিজেও এই ঘটনা অস্বীকার করলেন।

বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় দৈনিকের বরাতে জানা যায়, প্রথম ওয়ানডে শেষে টিম ম্যানেজার মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর সামনে তামিম বলেছেন, ‘ও রকম কিছু হলে তো আমি পরের ম্যাচেও খেলতাম না। এগুলো কিছুই না। আমি খেলতেই চেয়েছিলাম। কিন্তু ফিজিও বলল, এই ম্যাচ খেলাটা আমার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে।’

তবে ব্যাট তিনি ছুঁড়ে মেরেছিলেন, যার কারন জানিয়ে তামিম বলেন, ‘নেটে শেষ বলটা আমি ভালোভাবে খেলতে পারিনি। সে জন্য নেট থেকে এসে নিজের ওপরই রাগ করে ওটা করেছি।’ এমনকি সেদিন ঘটনা স্থানে উপস্থিত থাকা ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্তুজাও এমন কিছু হয়নি বলেই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কোচের সঙ্গে তামিমের সমস্যা হয়েছে, ও রকম কিছু তো দেখলাম না। ওই সময় তো আমিও নেটে বল করছিলাম।’

প্রথম ওয়ানডেতে কে খেলবেন তার সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়দের উপরেই ছিল। তামিম খেলতেও চেয়েছিলেন কিন্তু চিকিৎসক তামিমকে নিয়ে নিশ্চিন্ত ছিলেন না। তাই শেষ মুহূর্তে তার মাঠে নামেননি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের অধিকারী এই ব্যাটসম্যান বলেন, ‘গেল ১৫ দিনে আম মাত্র তিন সেশন ব্যাটিং করেছি। যা পর্যাপ্ত ছিলো না। আমি মানসিকভাবেও শক্ত থাকার চেষ্টা করেছি। আমি প্রথম ম্যাচ খেলতে তৈরু ছিলাম। কিন্তু পরে ভাবলাম ইনজুরিকে সময় দিতে হবে ঠিক হওয়ার। এটাই আমার শেষ ম্যাচ নয়। এটাই বাংলাদেশের শেষ সিরিজ নয়। আজ খেলে যদি আবার বড় ইনজুরিতে পড়ি তবে আমি লম্বা সময়ের জন্য দলের বাইরে যেতে পাড়ি।’