বেনাপোল স্থলবন্দরে ইনভয়েজ ও প্যাকিং লিস্টে মিথ্যা ঘোষণা দেয়া আমদানি করা ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের(২৫০০ কেজি)পাউডার জাতীয় ভায়াগ্রার একটি চালান আটক করেছে বেনাপোল কাস্টমস সদস্যরা।(বুধবার ০৭ই আগষ্ট)বেলা ১২টায় ভায়াগ্রা আটকের বিষয়টি বেনাপোল কাস্টমস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী নিশ্চিত করেন।গত ২৬ মে বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে সন্দেহমূলক পাউডার জাতীয় ভায়াগ্রার চালানটি জব্দ করে কাস্টমস সদস্যরা।অভিযুক্ত আমদানিকারক হলেন-ঢাকার মিটফোর্ড রোডের ৪৭/সি এলাকার মেসার্স বায়েজিদ এন্টারপ্রাইজ।
রপ্তানিকারক ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আ বি ট্রেডার্স।অবৈধ আমদানিতে সহযোগী ছিলেন সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান বেনাপোলের সাইনী শিপিং সার্ভিসেস।সংবাদ সম্মেলনে বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী বলেন,একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র অবাধে ভারত থেকে আমদানি যোগ্য পণ্যের আড়ালে ভায়াগ্রা নিয়ে যাচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস সদস্যরা ওই আমদানিকারককে নজরদারিতে রাখে।পরে ওই আমদানিকারক আমদানি যোগ্য পণ্যের আড়ালে সোডিয়াম স্টার্চ গ্লাইকোলেট ঘোষণা দিয়ে ভায়াগ্রা পাউডারের একটি পণ্য চালান আমদানি করে ছাড় নেওয়ার সময় পরীক্ষণ করে চালানটি জব্দ করা হয়।
বেনাপোল কাস্টমস ল্যাব,ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, বিসিএসআইআর,বুয়েট ও কুয়েটে পণ্যের নমুনা পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যায় আমদানিকৃত পাউডারটি ভায়াগ্রা। যার আনুমানিক মূল্য সাড়ে ১২ কোটি টাকা।তিনি আরো বলেন,এটি দেশে এ যাবৎ কালের আটকের মধ্যে সর্ববৃহৎ মাদকের চালান।মাদক দ্রব্যের চালানটি আটক করায় তাকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি-ধামকিও দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানাবেন বলেও জানান।ইতোমধ্যে এ অপরাধের জন্য সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স সাইনী শিপিং সার্ভিসেস এর লাইসেন্স সাময়িক বাতিল করা হয়েছে।সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে। জালিয়াতি ও অবৈধ পণ্য সুকৌশলে আমদানি অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনের পর দোষীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি