সব ঠিক ঠাক মঙ্গলবার বিয়ে হবে। তাইতো আত্বীয় স্বজন দাওয়াত করেছে মেয়ের বাবা। ছেলে দেওপাড়া গন উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয় সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন (৩৩) ।মেয়ে এ বছর জেএসসি পরীক্ষা ফরম পুরন করেছে মাইধার চালা গন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। সবাই যখন বিয়ে ধুম ধাম নিয়ে ব্যস্ত এর মধ্যে বাধ সাধে মা রুমা বেগম। মেয়ের বাবা টাঙ্গাইল জেলা ঘাটাইল উপজেলার মাইধার চালা গ্রামের মজনু মন্ডল কে যখন মেয়ের মা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে তাদের সাবালিকা না তাকে আঠারো বছর পুর্ন না হলে বিয়ে দেয়া যাবে না। এত কিছু জানানেরা পর জোর করে যখন মেয়েকে বিয়ে দেয়ার জন্য প্রস্ততি নিচ্ছে।ঠিক তখন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম এর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন মেয়ের মা।মঙ্গলবার মাইধার চালা গ্রামে গিয়ে প্রশাসন হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়।
মাইধার চালা গন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঘটনার সত্যতা শিকার করে জানান মেয়েটি এবার আমাদের বিদ্যালয় থেকে জেএসসি ফরম পুরন করেছে।
বাল্য বিবাহ ভাঙ্গার ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানায় মেয়ের বাবা মাকে বোঝানো হয়েছে যে পর্যন্ত তাদের মেয়ে সাবালিকা না হবে সে পর্যন্ত তাকে বিয়ে দেয়া যাবে না।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি