মাঝে মধ্যে না রেগে পারি না

সাব্বির রহমান। বির্তক যেন তার পিছু ছাড়ছেই না। এ কারণে প্রায়ই তিনি খবরের শিরোনাম হন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালো খেলে নিকট অতীতে অবশ্য খবরের শিরোনাম হয়ে আলোচনায় আসেননি সাব্বির। বরং তার ফর্ম আর অক্রিকেটীয় আচরণের জন্য সমালোচনায় পড়েন সাব্বির রহমান।

বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নজরদারিতে আছেন তিনি। নতুন করে কোনো ভুল করলে বড় ধরনের শাস্তি পেতে পারেন তিনি।

সম্প্রতি সাব্বির রহমান তার দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেমনটাই জানিয়েছেন।

ওই সাক্ষাৎকারে সাব্বিরকে প্রশ্ন করা হয়- আপনার কি মনে হয় রাগ কমানো দরকার। রাগের জন্য আপনি সম্প্রতি জটিলতার মধ্যে পড়েছেন?

জবাবে সাব্বির রহমান বলেন, রেগে যাওয়া আসলে এই সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার কোন কারণ না। সম্ভবত আমি কথা মনের মধ্যে চেপে রাখতে পারি না। আর সেটা অনেকের অপছন্দ। অনেকে মনে করে আমার ইগো এটা। অথবা আমি নিজেকে খুব বড় মনে করি। আমাকে খুব রাগী ভাবে কেউ কেউ। রাগ অবশ্য ভালো না। তবে মাঝে মধ্যে আমি না রেগে পারি না। আমি রাগ কমানোর জন্য কাজ করছি। কেউ আমাকে অপমান করে কিছু বললেও আমি রাগবো না সেটাই এখন চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমানকে ৬ মাসের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) শৃঙ্খলা কমিটি। তা সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) অনুমোদন দিয়েছে বিসিবি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ চলাকালে ফেসবুকে দর্শককে গালিগালাজ ও পেটানোর হুমকির অভিযোগ উঠে সাব্বিরের বিরুদ্ধে।

সাব্বির অবশ্য বলেছিলেন, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছিল। মূলত এই অভিযোগেই তাকে ছয় মাস নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।

এর আগেও নারীঘটিত কেলেঙ্কারিসহ নানা বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সাব্বির। ২০১৬ বিপিএল চলাকালে হোটেল রুমে নারী অতিথি এনে শাস্তিও পেয়েছিলেন। এরপর দর্শক পেটানোর অভিযোগের মধ্যেই আরেক অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। সতীর্থ খেলোয়াড়কে প্রহার করেছিলেন তিনি।

এমনকি ভারতীয় টেনিস দলের তারকা খেলোয়ার ও পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শোয়েব মালিকের জীবনসঙ্গী সানিয়া মির্জাকে ইভটিজিং ইত্যাদি।

সাব্বিরের এমন কাণ্ডের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগও করেছিলেন শোয়েব মালিক।

তবে সাব্বিরের এবারের শাস্তি মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দর্শককে হুমকি দেয়ার অভিযোগে।

You might also like