আর কিছু দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা।ঈদকে সামনে রেখে তাই জমে উঠেছে যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুর হাট। এ হাটে এবার ভারতীয় গরু না আসলেও দেশী গরুতে জমজমাট পশুহাট।তবে দাম একটু বেশি।তা হলেও কোরবানিতে দেশি গরু কিনতে আগ্রহ বেশী ক্রেতাদের। স্থানীয় খামারিরা বলছেন,ভারতীয় গরু না আসার কারনে এ বছর তারা ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পারছেন,তবে ঈদকে ঘিরে গো-খাদ্যের দাম একটু বেড়ে গেছে।
একারনে কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।শার্শা উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১১শত খামারের গরু বিভিন্ন পশুর হাটে নিচ্ছেন বিক্রেতারা।ভালো দামও পাচ্ছেন।তবে গো-খাদ্যের দাম না কমালে লোকসানের আশঙ্কাও করছেন খামারিরা।শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃজয়দেব কুমার সিংহ বলেন,ভারতীয় গরু-ছাগল না এলেও কোরবানির পশুর হাটে এর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।যশোরে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৩টি পশুর হাট রয়েছে। এর বাইরে ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও ১১টি অস্থায়ী হাট গড়ে উঠেছে। তবে সবচেয়ে বড় পশুর হাট হচ্ছে শার্শা বাগআঁচড়া সাতমাইল পশু হাট।
এটা বাংলাদেশের মধ্য দ্বীতিয় বৃহত্তম পশুহাট হিসেবে বিবেচিত।তিনি বলেন স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তদারকির জন্য আমরা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে সবসময় মনিটরিং করছি।বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুর হাটের সভাপতি ইয়াকুব আলী বিশ্বাস জানান,দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ এ হাটে স্থানীয় খামারিসহ ব্যাপারিরা বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানির পশু বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন। আশা করছি এবারের কোরবানিতে পশুর কোনও সংকট হবে না।
বাগআঁচড়ার সাতমাইল পশু হাটের সাধারণ সম্পাদক ও বাগআঁচড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কবির বকুল জানান,এই পশুর হাট সার্বক্ষণিক প্রশাসনের তদারকিতে চলছে।তিনি আরও বলেন,ভারতীয় গরু না আসায় এ বছর দেশীয় খামারিরা অনেকটা লাভের মুখ দেখবেন।ভারত থেকে গরু না আসায় ক্রেতাদের একটু চড়া দামে পশু কিনতে হচ্ছে।অন্যদিকে খামারিরা গরু পালনে দ্বীগুন উৎসাহ পেয়েছে।খামারিরা জানায় ভারত থেকে গরু না আসলেও দেশী গরু উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মিটানো সম্ভব হবে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি