২০, নভেম্বর, ২০১৮, মঙ্গলবার | | ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

তাসফিয়া খুনের রহস্য নিয়ে কি সুখবর দিলো পুলিশ,জানতে বিস্তারিত দেখুন

আপডেট: মে ১১, ২০১৮

তাসফিয়া খুনের রহস্য নিয়ে কি সুখবর দিলো পুলিশ,জানতে বিস্তারিত দেখুন

নগরের সানসাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া আমিন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের ‘খুব কাছাকাছি’ এসেছে বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার (উত্তর) আব্দুর ওয়ারিশ।

শিগগিরই আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের কারণ সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরার আশ্বাস দেন এ উপ-পুলিশ কমিশনার।

বৃহস্পতিবার (১০ মে) সন্ধ্যায় নগরের সানসাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশে অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

‘অসচেতনতাই অন্ধকারের কারণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সচেতনতামূলক সভাটি আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শতাধিক অভিভাবক অংশ নেন।

সানশাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাফিয়া গাজী রহমানের সভাপতিত্বে আব্দুর ওয়ারিশ ছাড়াও বক্তব্যে দেন পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ।

পুলিশের উপ-কমিশনার আব্দুর ওয়ারিশ বলেন, ‘তাসফিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবশ্যই বিচার হবে। এ আলোচিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত অনেক দূর এগিয়েছে। যেকোনো অনুসন্ধান শেষ হতে একটু সময় লাগে। মাঝপথে খোলাসা করলে তদন্ত কাজ সম্পন্ন হয় না। তাই ‍আমরা একটু সময় নিয়ে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করতে চাই। তবে অতি শিগগিরই হত্যাকাণ্ডের কারণ সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হবে।’

১৮ বছরের আগে শিক্ষার্থীদের মুঠোফোন না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক অভিভাবক মনে করেন, স্কুলে যাওয়া-আসার সময় সন্তানদের খোঁজ-খবর রাখার জন্য মোবাইল ফোন দেওয়াটা সঠিক। আমি সেসব অভিভাবকদের সঙ্গে একমত নয়। কারণ একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে অভিভাবকরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক কিংবা ক্লাস শিক্ষকের কাছে সহযোগিতা চাইতে পারেন।’

তাসফিয়ার বিষয়ে অধ্যক্ষ সাফিয়া গাজী রহমান বলেন, ‘তাসফিয়া স্কুলে ৪০ দিন ছিল। এর মধ্যে তিনবার অভিভাবককে ডাকা হয়েছে। তারা দুইবার স্বাক্ষর দিয়েছেন। আমরা এভাবে শিক্ষার্থীদের যত্ন নিই। আমরা মনে করি, স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা আমারই সন্তান।’

‘স্কুলে শিক্ষার্থীদের মুঠোফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।’ যোগ করেন সাফিয়া গাজী রহমান।

স্কুলে সব ধরনের নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কোনো ছাত্র চুল লম্বা রাখলে সরাসরি বারণ করি চুল ছোট করতে। বাকিটা পরিবার থেকে শিক্ষা দিতে হবে। আপনাদের সন্তান ঠিক মতো পড়ছে কিনা, আড্ডা দিচ্ছে কিনা, এসব দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে।’

সভায় উপস্থিত অভিভাবকরা তাৎক্ষণিক লিখিত আকারে মতামত ব্যক্ত করলে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও অতিথিরা এসব বিষয়ে তাৎক্ষনিক উত্তর দেন।