নয়ন বন্ডের ‘বাসর ঘরে’ লেখা নিয়ে তোলপাড়

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যার ঘটনার যেন শেষ হচ্ছে না।একের পর এক তথ্য বেরিয়ে আসছে।এবার রিফাত হত্যার প্রধান আসামি সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন বন্ডের বাসর ঘরে লেখা দুটি শব্দ যেন ফের বোমা ফাটিয়েছে।

নয়ন বন্ড কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। সে ছিল হত্যা মামলার প্রধান আসামি। নয়ন বন্ডের মৃত্যুর পর এবং মামলার প্রধান সাক্ষী মিন্নিকে গ্রেফতাতের পর এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে গণমাধ্যমের কাছে। রিফাতের স্ত্রী মিন্নি সঙ্গে নয়নের এক সময়ের সম্পর্কের বিষয়টিও উঠে আসছে। নয়নের মায়ের দাবি মিন্নি রিফাতকে বিয়ের আগে নয়নকে বিয়ে করেছিল। আর নয়ন জেলে থাকা অবস্থায় মিন্নির বাবা তাকে রিফাতের সঙ্গে বিয়ে দেয়। এ নিয়েই নয়ন ও রিফাতের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়।

তবে নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির বিয়ের বিষয়টি এখনও রহস্যাবৃত। মিন্নি বারবারই বলছেন, নয়নের সঙ্গে তার বিয়ে হয়নি। নয়নের বাড়িতে থাকা বা সেখানে তার যাওয়া-আসার তথ্য সঠিক নয়।

কিন্তু নয়নের মা দাবি করছেন, মিন্নি তার ছেলের বউ হিসেবেই বাড়িতে অবাধে যাতায়াত করত। রীতিমতো তার বাড়িতে মিন্নি ছোটখাটো সংসারও গড়ে তুলেছিল। মিন্নির সঙ্গে নয়ন বন্ডের সম্পর্কের নানা স্মৃতিও দেখান নয়নের মা।

বরগুনা সরকারি কলেজ ঘেঁষে নয়ন বন্ডের বাড়ি। টিনের চালা দেয়া তিনটি ঘর। এর একটিতে নয়ন মেয়ে নিয়ে ফূর্তি করত। সেখানে রাত-বিরাতে অনেকের অবাধ যাতায়াত ছিল। ওই ঘরে মিন্নিরও একসময় যাতায়াত ছিল বলে জানান নয়নের মা।

বলেন, এই মিন্নির জন্য আমার ছেলেটা শেষ হয়ে গেল। তিনি বলেন, আসেন এই ঘরে আসেন। এখানে নয়ন থাকত। পুলিশ এখান থেকে মিন্নির ব্যবহৃত অনেক কিছুই নিয়ে গেছে। তার পরও কিছু কিছু জিনিস এখনও পড়ে আছে। দেখা গেল, নয়নের ঘরে ঢোকার দরজার ওপর বড় করে লেখা ‘বাসর ঘর’।

দেয়ালের কয়েকটি জায়গায় ইংরেজি হরফে লেখা ‘এন প্লাস এম’। অর্থাৎ নয়ন যোগ মিন্নি। আরেক জায়গায় লেখা ‘আই লাভ ইউ এন প্লাস এম।’ দেয়ালের আরও কয়েকটি লেখা কে বা কারা কালো কালির স্প্রে দিয়ে মুছে দিয়েছে। ঘরের আসবাবপত্র প্রায় সবই ভাঙা। নয়নের মা বলেন, ঘটনার দিন আমি বাড়িতে ছিলাম না।

বার্তাবাজার/এএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর