ভাতিজি রাশিদা খাতুন ও তার পরিবার রাস্তার জন্য জায়গা দিতে চায় না। রাস্তার জায়গা না রেখে তাঁরা পাকা প্রাচীর দিয়েছে। এ ছাড়া প্রাচীরের সামনে দোকান ঘর তৈরি করায় আরও জমি নষ্ট হয়ে গেছে। এখন রাস্তা তৈরির জন্য যে জায়গা দরকার তা সবটাই দিতে হবে আমাকে , তাকি সম্ভব।
শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার জাহাজঘাটা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো. আদম আলি। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন রমজান আলি, মনিরুল ইসলাম, আসলাম, মিয়ারাজ হোসেন, ইয়াসিন ও নুর মোহাম্মদ।
আদম আলি বলেন গত ৩০ জুলাই তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে রাশিদা খাতুন তার ছেলেকে জামায়াত নেতা বানিয়ে মিথ্যাচার করেছেন। তিনি নিজে আওয়ামী লীগ করেন এবং তার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন আমি আমার নিজের জায়গা ছেড়ে রাস্তার জন্য দিলে আমার পরিবারকে তারা জামায়াত বলতো না। পথের জন্য সবটুকু নিজের জমি না দেওয়ায় সংবাদ সম্মেলনে রাশিদা মিথ্যাচার করেছেন। এমনকি রাশিদা তার আপন ভাই মনিরুল ইসলামকেও ছাড় দেয়নি। রাশিদা খাতুন একজন ইউপি সদস্যর উপস্থিতিতে তার দেবরকে দিয়ে মনিরুল এবং তার ছেলেকে মারপিট করিয়েছে। হুমকি দিয়ে বলেছে প্রতিপক্ষের পাশে যে দাঁড়াবে তাকেও মারপিট করা হবে।
মুক্তিযোদ্ধা আদম আলি এসবের প্রতিকার দাবি করেন এবং রাশিদা খাতুনের কথা মতো মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ না লেখারও আহবান জানান তিনি।
বার্তাবাজার/আরএইচ