আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৪:৩৯, ১৯শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮শে মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

নীলফামারীতে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে দিশেহারা

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : অক্টোবর ১২, ২০১৭ , ৭:০৮ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : রংপুর
পোস্টটি শেয়ার করুন

তারিকুল ইসলাম খান লোহানী, নীলফামারী প্রতিনিধি : নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলেও কর্তৃপক্ষ নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে। এ নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছে শহরবাসী।

শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাবুপাড়া, দারুল উলুম মোড়, নয়াটোলা, বাঁশবাড়ি, মিস্ত্রিপাড়া, রসুলপুর, গোলাহাট, নতুন বাবুপাড়া, উপজেলা পরিষদ গেইট, শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডের সামনে দলে দলে বেওয়ারিশ কুকুর উগ্র মেজাজে দলঁেবধে দৌড়ঝাঁপ করছে। কুকুরের উগ্রভাব দেখে মনে হয় কমলমতি শিশু ছাত্র-ছাত্রীসহ নানা বয়শি মানুষকে যে কোনো মুহূর্তে কামড় দিতে পারে। শহরের ৮নং ওয়ার্ডের (পৌরসভা) বিভিন্ন স্থানে, ডাস্টবিন না থাকায় রাস্তার উপড়ে ময়লা আবর্জনা ফেলায় সেখানে দল ঁেবধে আসছে কুকুর। নয়াটোলা এলাকার রমেশের মেয়ে ও তৃর্তীয় শ্রেনীর ছাত্রী কবিতা রানী জানান, স্কুল থেকে বাড়ী ফেরার পথে গিয়াসের মোড়ে আমি অল্পের জন্য কুকুরের কামড় থেকে বেঁচে যাই। সেখানে একজন কাকু আমাকে কুকুরের কামড় থেকে বাঁছিয়েছে। ওই এলাকার (গিয়াসের মোড়ের) বাসিন্দা জিন্না আলী, আব্দুল খালেক, ওমর ফারুকসহ অনেকে জানান, ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় থাকি। বেওয়ারিশ এমনকি পাগলা কুকুরের কামড়ে মানুষজন জলাতংক রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

শহরের গোলাহাট এলাকার নাসিমা জানান, বেওয়ারিশ কুকুরের অত্যাচারে ছেলেমেয়েরা নিরাপদে বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না। ঘর থেকে বের হলেই কুকুরের উপদ্রব ও এলোপাতারি ছুটাছুটি করতে দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, পৌর কর্তৃপক্ষ সবকিছুর ট্যাক্স বাড়িয়েছে কিন্তু সেবার মান বাড়ায়নি। রাস্তা দিয়ে হাটলেই ড্রেনে জমে থাকা ময়লার দূর্গন্ধ। জনগনের নানা অভিযোগ থাকলেও পৌর কর্তৃপক্ষ নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে। অভিযোগ করেও সমস্যার সমাধান হয় না। এ ব্যাপারে সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, কুকুর নিধনের হাইকোর্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই আমরা কুকুর নিধনে অভিযান চালাতে পারছিনা। এদিকে জেলার ডিমলা উপজেলার খগাখড়ি বাড়ী ইউনিয়নের মফিজ উদ্দিন বলেন কুকুরের উপদ্রপে ঘরথেকে বের হওয়া কঠিন হয়ে পরেছে এমনকি রাতে মসজিদে যেতেও ভয় করে।