কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় এক মাদ্রাসার ছাত্রী বিয়ের ২১দিন পর পাষন্ড স্বামীর হাতে খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও নিহত ছাত্রীর পারিবারিক সৃত্রে জানাযায়, নিহত চায়না আক্তার উপজেলা দেওঘর ইউনিয়নের আলীনগর উত্তর পাড়ার আক্কাছ মিয়ার মেয়ে ও উপজেলার হোসেনিয়া আলীম মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী। এই এলাকার আলীনগর মধ্যপাড়ার সমেউদ্দিন মিয়া (সুফল) মিয়ার পুত্র ফায়েজ মিয়ার (২৫) সাথে গত ৮ জুলাই কিশোরগঞ্জের নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এভিডেভিট হয়। বিয়ের পর থেকেই ফয়েজ মিয়া নিয়মিত তার শ্বশুর বাড়িতে আসা যাওয়া করত।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) রাতেও শ্বশুর বাড়ীতে গিয়ে রাতে খাওয়া শেষ করে ঘুমাতে যান তারা দুজন। সকালে চায়নার মা মেয়েকে ডাকাডাকি করলে পাষন্ড ফয়েজ তার শাশুরিকে বলে চায়না ঘুমাচ্ছে একটু পরে উঠবে। একটু পর ফয়েজের বাড়ি থেকে জরুরি ফোন আসছে বলে কৌশলে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর আবার তার মেয়ে কে ডাকলে কোন সাড়া না পেলে ঘরে ভিতরে গিয়ে দেখেন চায়না কাঠের উপর হাত বাধা মৃত অবস্থায় পরে আছে। তখন চায়নার মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ ঘটনারস্থলে গিয়ে নিহত চায়নার লাশ উদ্ধার করে থানা নিয়ে আসে।
নিহত ছাত্রীর বাবা আক্কাছ মিয়া জানান, চায়না বিয়ে হয়েছে ২১দিন পর হাতের মেহেদীর রং না শুকাতেই পাষন্ড স্বামী ফয়েজ তাকে শাশ্বরুদ্ধ করে মেরে ফেলেছে বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
জানা গেছে,নিহত ছাত্রী চায়না উপজেলার হোসেনিয়া আলীম মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী এবং সার্টিফেকেটে তার জম্ম তারিখ ছিল ৮/১১/২০০৫ সালে জন্ম কিন্ত নোটারী এফিডেভিটে তাকে প্রাপ্ত বয়স্ক দেখানো হয়েছে।
অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনর্চাজ কামরুল ইসলাম মোল্লা জানান, নিহত চায়নার গলায় ও হাতে কালো দাগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে তাকে শাশ্বরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং ঘাতক স্বামী ফয়েজ কে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে। এ রিপোর্ট লেখার সময় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
-কিশোরগঞ্জ জার্নাল
বার্তাবাজার/এসআর