যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা(মঙ্গলবার ৩০শে জুলাই)পর্যন্ত ৫৮ জন আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছে।এছাড়াও জেলায় ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত করা হয়েছে ৭১ জনকে।সোমবার পর্যন্ত এর সংখ্যা ছিল ৫৫ জন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত নতুন আরো ১৩ জন হাসাপাতালে ভর্তি হয়।এর মধ্যে যশোর সদরের রয়েছে ৭ জন।আক্রান্ত ব্যক্তিরা হলেন,যশোর শহরের বেজপাড়ার তমা(২৩),নীলগজ্ঞের মনিরা(২৩), লোন অফিসপাড়ার নাহিদ হাসান (২৭),শহরতলীর পালবাড়ির অর্থ (৮),হামিদপুরের অপু(২৩),চাঁচড়ার আইরিন(৩৬),সদরের দৌলদিহির সুরাইয়া(১৮)।এছাড়া ঝিকরগাছার জাকিয়া(১৭),চৌগাছার নাসরিন রহমান(৪২),ফেরদৌস(৯), মনিরামপুরের নাজমুল(১৮), মনিরামপুর এড়েন্দা গ্রামের বিপুল (৩২),ও শার্শার সৌমি(২০)।
এদিকে প্রতিদিন রোগী বাড়লেও সরকারি এইযশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা নেই বলে জানা গেছে।ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের এনএস১, আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষার জন্য বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে রোগীদের। আর রোগীদের এই অসহায়ত্বের সুযোগ নিচ্ছে বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল গুলো।তারা পরিক্ষা নীরিক্ষার নামে সরকার নির্ধারিত ৫ শত টাকা ফির পরিবর্তে কয়েকগুন বেশি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।এবিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ ইমদাদুল হক জানান,ডেঙ্গু সনাক্তের প্রাথমিক রিএজেন্ট এন এস-১বর্তমানে হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমান আছে।এছাড়া ব্লাডের সিবিসিও হাসপাতালে পরীক্ষা করা হচ্ছে।বাইরে থেকে শুধু আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষা করতে হচ্ছে। বাইরের সব ক্লিনিকেই আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষা সম্ভব।তবে কেউ বেশি টাকা নিলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ আবুল কালাম আজাদ জানান,ডেঙ্গু রোগিদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা দেয়া হচ্ছে। প্রচার প্রচারনা চালানো হচ্ছে। লিফলেট বিতরন ও মাইকিং করা হচ্ছে।সবাইকে মশারির মধ্যে ঘুমানোর জন্য বলা হচ্ছে।বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে বলা হচ্ছে।যাতে খোলা জায়গায় পানি জমে না থাকে।তিনি আরো বলেন আগামীকাল বুধবার থেকে হাসপাতালে আইজিজি ও আইজিএম পরীক্ষা করা হবে।
বার্তাবাজার/আরএইচ