ট্রেনের ঈদ যাত্রার আগাম টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিনেও টিকিট প্রাপ্তির ধীর গতিসহ অ্যাপে টিকিট না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন টিকিট প্রত্যাশীরা। শত কষ্ট সহ্য করে কাঙ্ক্ষিত টিকিট হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাসিত অনেকে। তবে কাউন্টার স্বল্পতাসহ দীর্ঘ অপেক্ষায় নারীদের ভোগান্তি ছিল দ্বিতীয়।
ঈদ যাত্রায় ৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার। সেদিনের টিকিটের চাহিদা বেশি থাকায়, সোমবার বিকেল থেকে কমলাপুর রেলস্টশনে ভিড় করে টিকিট প্রত্যাশীরা। সময় যত গড়িয়েছে টিকিট প্রত্যাশী মানুষের ভিড় কাউন্টার ছাড়িয়ে পৌঁছেছে স্টেশনের প্রবেশ মুখ পর্যন্ত।
মশার কামড়, ফ্যান ছাড়া ভ্যাপসা গরম আর নির্ঘুম রাত পেরিয়ে সকাল না হতেই ক্লান্ত সবাই। ৯ টায় কাউন্টার খুলে দেয়ার পর কমতে থাকে অপেক্ষার প্রহর। শত ভোগান্তি সহ্য করে যারা হাতে পেয়েছেন টিকিট তাদের যেন বাধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস।
একজন বলেন, ‘সিরিয়াল অনেক মানুষের ঝামেলা,এতো কিছু পর আমি টিকিট পেয়ে অনেক খুশি।’ তবে লাইনে বিশৃঙ্খলা, টিকিট বিক্রিতে ধীরগতির পাশাপাশি এদিনও অন লাইন আর অ্যাপে টিকিট না পাওয়ার অভিযোগ।
এক যাত্রী বলেন,’অন্য ছেলেরা এসে লবিং করে টিকিট নিয়ে যাচ্ছে, তাহলে লাইনে দাড়িয়ে আমাদের লাভ কি।’ আরেক যাত্রী বলেন, ‘অনলাইনে টিকিট না পেয়ে দুদিন ধরে লাইনে দাড়িয়ে টিকিট পাইনি।’
টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি অ্যাপের ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্টেশন ম্যানেজার। কমলাপুর রেলস্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, ‘কালোবাজারি রোধে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর আছে। এবং একই সাথে তাদের নির্দেশনা দেয়া আছে, কোন কালোবাজি যেন টিকিট ক্রেতার সাথে কথা বলতে না পারে।’
কমলাপুর ছাড়াও রাজধানীতে আরো চারটি স্থান থেকে দেয়া হচ্ছে ঈদযাত্রার আগাম টিকিট
বার্তাবাজার/আরএইচ