২১, নভেম্বর, ২০১৮, বুধবার | | ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

ঢাকা অচলের কর্মসূচির আহ্বান

আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০১৮

ঢাকা অচলের কর্মসূচির আহ্বান

রাজশাহী মহানগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে জনসভার আয়োজন করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে এই জনসভায় বিএনপিসহ জোটের নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে ঢাকা অচলের কর্মসূচি চান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৯ নভেম্বর) রাজশাহীর আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে আয়োজিত বিভাগীয় জনসভায় ৩জন বক্তা কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে এ আহ্বান জানান।

তৃণমূল নেতার তাদের বক্তব্যে বলেন, ‘আন্দোলন চাই, নির্দেশনা দেন। এক দফার কর্মসূচি চাই। আন্দোলন ছাড়া খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না।’

জন সভায় নেতারা বলেন, ‘আজকের জনসভা পণ্ড করার জন্য রাজশাহী অভিমুখে বাস, ট্রাক, ট্রেন সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে শেখ হাসিনা বাইরে থাকতে পারেন না জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমান বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিচার চাই, খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে শেখ হাসিনা বাইরে থাকতে পারেন না। শেখ হাসিনাকেও জেলে যেতে হবে।’

অনদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘হুদার অধীনে নির্বাচনে গেলে, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে গেলে, শেখ হাসিনা আজীবন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন। আর খালেদা জিয়া আমৃত্যু কারাগারে এবং তারেক জিয়া আজীবন নির্বাসনে থাকবেন। আমরা যদি সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করি, এ দেশের মানুষ আমাকে, আপনাকে ছাড়বে না। তাই বলছি, হুদাকে নামান, শেখ হাসিনাকে নামান। আমরা নির্বাচনে গেলে জয়ী হব যদি ভোট দিতে পারি।’

এছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, সরকারের ভীত নড়ে গেছে। তারা পালাবার পথ খুঁজছে। সরকার যত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করুক না কেন, ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের পরাজিত করতে হবে। জনগণের বিজয় সুনিশ্চিত।

জনসভায় আরও বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বিজেপির সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

এছাড়া আরও বক্তব্য দিয়েছেন অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, শহীদুল্লাহ কায়সার, আবদুল গোফরান, শাহজাহান মিয়া, আবদুর রউফ ইউছুপ, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, হারুনুর রশিদ, নাদিম মাহমুদ, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, শাহ আহমদ বাদল, মোস্তাক আহমেদ, এ টি এম গোলাম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, রফিকুল ইসলাম, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া প্রমুখ।