সব কাজেরই একটা সীমানা থাকে।কিন্তু সাংবাদিকতার সীমানা কোথায়?উত্তর মিলানো বেশ দায়।পাঠক সত্য প্রকাশে নিজেদের জীবন বাজি রেখে, আবেগকে জ্বালাঞ্জলি দিয়ে মানুষের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার জন্য উপরের ছবিটা হয়ত আপনাদের কাছে বেশ গুরুত্ব পাবে।তবে এর চেয়েও ভয়ঙ্কার স্থান থেকে আপনাদের তথ্য জানাতে দূর্বার গতিতে এগিয়ে যায় গণমাধ্যমকর্মীরা। পাকিস্তানের পাঞ্জাবপ্রদেশে ভয়াবহ বন্যায় ভেসে গেছে প্রত্যন্ত অঞ্চল। বিপুল ক্ষতির মুখে কৃষকরা।তাই তাদের অবস্থা তুলে ধরতে এভাবে সংসবাদ সংগ্রহ করছেন এক এক গণমাধ্যমকর্মী।
মূলত সেখানকার পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ তা জানাতে গলাপানিতে নেমে লাইভ রিপোর্ট করেছেন আজাদার হুসেন নামে পাকিস্তানি এক সাংবাদিক।
যে কোন বিপর্যয়ের মুখে জীবনবাজি রেখে খবর সংগ্রহ হামেশাই করে থাকেন সাংবাদিকরা। খবরের সত্যতা তুলে ধরতে দুবার ভাবেন না জীবনের কথা।
এমন একাধিক নজির আমরা দেখেছি। তাই বলে গলাপানিতে নেমে…। হ্যাঁ, বন্যার লাইভ রিপোর্টিং করতে গিয়ে এমনটাই করলেন পাক সাংবাদিক।
বন্যায় কতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তার প্রমাণ দেখাতে গলাপানিতে নেমে পড়েন আজাদার হুসেন।
পানির ওপরে শুধু রিপোর্টারের মাথা আর বুম। ওই অবস্থায় তিনি তুলে ধরলেন সিন্ধু নদের পানি কতটা বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে।
ওই পাক সাংবাদিকের রিপোর্টং দেখে তাজ্জব বনে গেছে সোশ্যাল মিডিয়া। তার সাহসকিতায় মুগ্ধ নেটিজেনরা।এরপর থেকে প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওই মিডিয়াকর্মী। কেউ কেউ অবশ্য মশকরা করতেও ছাড়ছেন না! তারা বলেছেন, একেই বলে খবরের গভীরে গিয়ে রিপোর্টিং করা।
বার্তাবাজার/এএস