১৯, নভেম্বর, ২০১৮, সোমবার | | ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটা সংখ্যা কত?

আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৮

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটা সংখ্যা কত?

রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতার আকাঙ্খার মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ি, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সন্ধ্যা ৭টার ভাষণে এ তারিখ ঘোষণা করেন তিনি।

সিইসি বলেন, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর, বাছাই ২২ নভেম্বর এবং প্রত্যাহার ২৯ ডিসেম্বর। তার ২৪ দিন পর হবে ভোটগ্রহণ। ৩০০টি আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচনে এবার ভোট দেবেন ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০ ভোটার।

সিইসি সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আহবান জানিয়ে বলেছেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করার আশ্বাস এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামরিক প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সশস্ত্রবাহিনী (সেনা, নৌ ও বিমান) মোতায়েনের ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতার আকাঙ্খার মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সব রাজনৈতিক দলগুলোকেই অনুরোধ জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে মতানৈক্য বা মতবিরোধ থেকে থাকলে রাজনৈতিকভাবে মীমাংসারও অনুরোধ জানাই। সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী, কবিতা খানম, মো. রফিকুল ইসলাম ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সিইসির ভাষণটি সরাসরি সম্প্রচার করেছে। গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া, গত ১ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ চার কমিশনার।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা জানিয়েছিলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলের বিষয়ে আগামী ৪ নভেম্বর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।কিন্তু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার জন্য তফসিল ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন।

প্রসঙ্গত, সংবিধান অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর থেকে নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে। আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে জাতীয় নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ইসি সূত্র জানায়, তফসিল ঘোষণা উপলক্ষ্যে ইসি সচিবালয়ের ভেতর ও বাইরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। এর মধ্যে কমিশনে আসেন সিইসি ও অন্য চার কমিশনার। রেওয়াজ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে কমিশনের এক বৈঠকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত করা হয়। পরে কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে সিইসির ভাষণ রেকর্ড করে বিটিভি ও বেতার। সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে সিইসির ওই ভাষণ প্রচারের মধ্য দিয়ে তফসিল ঘোষণা করা হয়।

বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলগুলোর আপত্তির পরও নির্বাচনে শহর এলাকায় সীমিত আকারে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে ভোটগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন সিইসি।