শেরপুর জেলার সদর উপজেলার পাকুড়িয়া, কামারিয়া ও ধলা ইউনিয়ন সংলগ্ন কেউটা বিলে এক শ্রেণির অসাধু মৎস্য শিকারীরা বানা ও পলিথিনসহ বিশেষ কায়দায় বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারের ফলে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ২৫ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ ফিরোজ আল মামুন, পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ হায়দার আলী ও পুলিশ ফোর্সসহ পাকুড়িয়া, কামারিয়া ও ধলা ইউনিয়ন সংলগ্ন খালের উপর প্রায় ২০/২৫টি বাঁধ অপসারণ করেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই সব এলাকার কতিপয় অসাধু মৎস্য শিকারীরা খালের উপর অবৈধভাবে বিশেষ কায়দায় বাঁধ তৈরি করে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে করে পাকুড়িয়া ইউনিয়নসহ ওই সব এলাকার পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে কৃষকগণ ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্ভোগের শিকার হন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ ফিরোজ আল মামুন সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্সসহ বাঁধ গুলি অপসারণ করেন। এছাড়াও খালের উপর বিশেষ কায়দায় অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে মৎস্য শিকারীদের ভবিষ্যতে মাছ শিকার থেকে বিতর থাকার কঠোর নির্দেশনা দেন।
এদিকে বাঁধ অপসারণ করায় পানির গতি বেড়ে যাওয়ায় জলবদ্ধতা কমতে থাকে এবং দুর্ভোগের শিকার কৃষকগণ আনন্দ প্রকাশ করেন।
বার্তাবাজার/আরএইচ