দেড় বছর ধরে এক দরিদ্র কিশোরীকে পিতা-পুত্রসহ ৬ জন গণধর্ষণ করতে থাকেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মা হারা ১৬ বছরের ওই কিশোরীকে গণধর্ষণ করায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক ‘পুরুষ’ও, যুবক হওয়ার আগেই যে পুরুষতান্ত্রিক এই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে।
এমন চোক কপালে উঠার মতো কাণ্ডটি ঘটেছে ভারতের ভোপালের ইনদওরে।
১৬ বছরের এই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে বছর পঞ্চাশের এক ঠিকাদার, তার ছেলে, ভাইয়ের ছেলে ও আরও তিন জন।
জানা যায়, কিশোরীর বাবা এক বহুতল ভবনের নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত, মা মারা গেলে ছোটবোনকে নিয়ে বাবা কাজে চলে যেতেন।
একদিন এক মাঝবয়সী ঠিকাদার টাকার বিনিময়ে তার ছেলেমেয়েদের দেখাশোনা করার প্রস্তাব দেয় ঐ কিশোরীকে। বাবা কাজে বেরোলেই আসত অভিযুক্ত ঠিকাদার, এক সময়ে মেয়েটি রাজিও হয় কাজে। কিশোরীর অভিযোগ, ঠিকাদারের বাড়িতে যাতায়াত শুরু হওয়ার পরে তাকে ফোনে অশ্নীল ছবি দেখিয়ে ধর্ষণ করত ওই ব্যক্তি।
শুধু ওই মধ্যবয়স্ক পিতাই নয়, তার ২৩ বছরের ছেলেও যৌন নির্যাতন চালায় মেয়েটির ওপর। কয়েক সপ্তাহ বাদে ঠিকাদারের ভাই এর নাবালক ছেলেকে সব জানিয়ে তার কাছে সাহায্য চায় কিশোরী। কিন্তু, নাবালক সেই ছেলেটিও কিশোরীকে ধর্ষণ করে। শুধু তাই নয়, নাবালক ‘পুরুষটি’র সঙ্গে যোগ দেয় আরও তিন প্রতিবেশী যুবক।
এরপর নিয়মিতভাবে চলতে থাকে ধর্ষণ-গণধর্ষণ, এমন লাগাতার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শেষমেশ নিজের বাবাকে সব খুলে বলে মেয়েটি। খবর পেয়ে পুলিশ ছয় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নাবালকের হাতেও নিরাপদ নয় কোনো কিশোরী।
বার্তাবাজার/এএস