কুমিল্লার তিতাস উপজেলার প্রথম সাতানী গ্রামের আবদুর রউফ মিয়ার বসত ঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসীর দাবি এটি একটি সাজানো নাটক। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে সাতানী গ্রামের আবদুর মিয়ার বাড়িতে।
ডাকাতির খবর পেয়ে তিতাস থানার এস আই মাজেদুল ইসলাম ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। সরেজমিনে গেলে আবদুর রউফ বলেন রাত আনুমানিক ৩ টায় ৭/৮ জনের একদল ডাকাত বাড়িতে এসে প্রথমে একটি ককটেল ফুটালে আমি আওয়াজ পেয়ে মজিব মেম্বারকে ফোন দেই যে, বাড়িতে মনে হয় ডাকাত এসেছে এবং পর পর আরো ৬টি ককটেল ফুটিয়ে ঘরের দরজার খিলি ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে সুকেচ ও আলমারি ভাংচুর করে এবংআমার মূখ চেপে ধরে বালিশের নিচে রাখা ৩ লাখ টাকা নিয়ে লোকজন আসার আগেই দ্রুত পালিয়ে যায়।
এসময় ডাকাত দলের দুইজনকে চিনতে পেরেছেন বললেন আবদুর রউফ। তারা একই গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে সেলিম ও মোস্তাক মিয়ার ছেলে রমজান। এদিকে সেলিম ও রমজানের পরিবারসহ গ্রামবাসী দাবি করে বলছে এটি কোন ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি,এটি একটি সাজানো নাটক। রমজানের মা পরিস্কার বেগম বলেন আমার মেয়ের জামাই মুকবুল পাগল মানসিক রোগী তাকে দুই দিন পূর্বে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে স্কুলে চুরি করতে গেছে বলে আটক করে মারধর করে পুলিশের নিকট দিয়েছে। এখন আমার জামাইর অবস্থা ভাল না,নিজেরা ঘটনা করে এখন আমাদের নাম দেয়। সেলিমের বোন শিরিনা বলেন উপজেলা নির্বাচনে আমার ভাইসহ আমরা সবাই নৌকা মার্কার নির্বাচন করেছি, তারা করেছে পারভেজ সাহেবের, সেই জের ধরে আমাদেরকে মিথ্যা ডাকাতি মামলা দেয়ার জন্য বলে ডাকাতি করছে। ওই গ্রামের জাহানারা বলেন মুকবুল পাগল গরিব মানুষ তাকে ধরে চোর বলে মারধর করে পুলিশের কাছে দিয়ে দিয়েছে।
গ্রামের আরো অনেকেই বলেন মুকবুল পাগল এবং সেলিম ও রমজান উপজেলা নির্বাচনে রব মিয়ার সাথে হাতা হাতির ঘটনা ঘটে ওই ঘটনা জের ধরে সেলিম,রমজান নৌকা মার্কার পক্ষে নির্বাচন করায় আজ রব মিয়া মিথ্যা মামলা দিতে ঘটনা সাজিয়েছে। এবিষয়ে ঘটনার তদন্ত কর্মকতা এস আই মাদেুল ইসলাম বলেন ডাকাতির খবর পেয়ে আমি ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিদর্শন করেছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে এবং মুকবুলকে দুই দিন আগে ইউনিয়ন কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে চুরি করতে গেলে এলাকাবাসী আটক করে আমাদের নিকট সর্পোদ করে। আমরা তাকে একটি চুরির মামলায় কোর্টে প্রেরণ করি।
বার্তাবাজার/আরএইচ