মুম্বাই এক্সিবিশনে ফ্যাশন ডিজাইনার তাঞ্জিল জনি

ইন্ডিয়ান এক্সিবিশন এ প্রথমবারের মত কাজ করতেছেন ফ্যাশন ডিজাইনার তাঞ্জিল জনি। এটি মুলত ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন। এখানে মুলত বিশ্বব্যাপি প্রথম তালিকার কোরিওগ্রাফার আর স্টাইলিশ রা তাদের এক্সপেরিমেন্ট ওয়ারক গুলো প্রদর্শন করছে প্রদশর্নের সময় ৫ দিন। সেরা ১০ টি কাজ প্রকাশ হবে নাম করা ম্যাগাজিন গুলো তে।তাঞ্জিল জনি কাজ করেছে বডি এক্সপ্রেস আর বিউটি নিয়ে । তাঞ্জিল জনির ছবি দেখে এজেঞ্জিরা অনেক খুশি হয়েছে। কাজ গুলো আগস্ট এ প্রকাশ পাবে লন্ডন এর ইকুয়াল ম্যাগাজিন এ।
এক্সপেরিমেন্ট এর ছবি গুলো তুলেছেন আরিফ আহমেদ। আর ফিচারিং এ ছিলেন মডেল – আরনিরা চৌধুরী ” আরিয়ানা জামান ” অনিক এবং অন্তু।
মেকওভার এ ছিলেন মানস দেব।

ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে তাঞ্জিল জনি বলেন:

1. তার কাছে ফ্যাশান ডিজাইন মানে আলাদা একটা জগৎ যেখানে শুধু পোশাক না নিজেকে পরিবর্তন করা আর ক্রিয়েটিভ চিন্তা ভাবনা দিয়ে নতুনত্ব কে প্রকাশ করা। তিনি এটিকে শিল্প হিসেবে নেয়। সময় এর সাথে তালমিলিয়ে সমাজ এর আচার আচরন প্রভাব না ফেলে নতুনত্ব আনাটা তার কাছে ফ্যাশান আর কাল্পনিকতা কে কাজের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করার কাজই ফ্যাশান ডিজাইন

২. একজন ফ্যাশান ডিজাইনার কে অবশ্যই অনেক বেশি ক্রিয়েটিব মনোভাব হতে হবে। একটি কাজের মাধ্যামে তাকে আরেকটি কাজ বের করে আনতে হবে।নতুন কিছু চিন্তা ধারা যুগ করতে হবে৷ সময় এর সাথে তাল মিলিয়ে পোশাক শিল্পের উন্নয়ন এর কথা ভাবতে হবে৷ বাইরের দেশের সাথে তালমিলিয়ে দেশি আংগিকে পোশাক বানাতে হবে। আর আমাদের দেশিয় কালচার এর কথা চিন্তা করেই কাজে এগিয়ে যেতে হবে যাতে তারা পুরো বিশ্ব এ দেশিয় শিল্প কে আরো উন্নত করতে পারে আর দেশের শিল্প কে সব জাইগায় প্রসার করতে পারে

৩। ফাশন ডিজাইন লাইফ টা অনেক মজার এখানে যারা পরতে আসে তারা সবাই অনেক মজা করে কাজ করতে পারে৷ বলতে পারেন৷ প্রতেক টা দিন হয় হলি খেলার মত৷ রঙের ছরা ছরি৷ ফাস্ট ইয়ার টা মুলত রঙের মধ্যই কাটে। রঙ নিয়ে জত কাজ আকি বুকি আর আট শেখা। দেখা যায় যারা একদম আক্তে পারে না তাদের জন্য আকা টা অনেক সহজ হয়ে যায়। সেকেন্ড ইয়ার এ কাটা কাটি আর প্যাটান শিখানো হয় এটাও অনেক মজার আর সব কিছু কাটতে শিখতে পারলে বানাতে ইচ্ছা করে। থার্ড ইয়ারে সেলাই শেখান হয় আর ফাইনাল এর মধ্যা সব ধরনের পশাক বানানো আর ফাইনাল প্যাটান টা ধরানো হয়। কাজের মধ্য থাকলে কখন সময় চলে যায় বুজাই যায়। না ফ্যাশান মানে আনন্দ আর নতুনত্ব অনেক মজাদার কিছু শিখতে পারা আর ক্লাস গুলো খুব সহজ আর আনন্দ দায়ক হয়ে থাকে৷

৪. আসলে মা এর নকশি কাথা বানানো দেখেই তাঞ্জিল জনির কাজের প্রতি ইনন্সপ্রেশন আসে। তিনি ছোট বেলায় একজন ড্যান্স আরটিস্ট ছিলেন, অভিনয় ও শিখেছিলাম। এর মাধ্যমে কিছু দেশ বিদেশেও ঘুরা হয়েছে তার। কিন্তু পারিবারিক কারনে এই সেক্টর থেকে ২০১৪ তে বিদায় নেয়া হয়। ২০১৬ তে তিনি sristy academic school tangail থেকে বের হয়ে শান্তমারিয়াম এ ভর্তি হয়।তাহার মনোভাব আকা আকি আর কাজের মধ্যই ছিল সব সময়। এর এর জন্য ফ্যাশান স্কুল জয়েন করেন । আর তার পর কাজে লেগে নিজেকে একজন ফ্রিলান্সার ডিজাইনার হিসেবে প্রস্তুত করে। এর মাধ্যমে অল্প কিছু সময় এ অনেক গুলো পেপার মেগাজিন আর টভি ফুটেজ গুলার মুখোমুখি হয়৷ তারা সবাই তাঞ্জিলের কাজ পছন্দ করে। তাঞ্জিল বেশকিছু ভালো মিউজিক ভিডিও আর টিভিসি তে কাজ করেছে৷ বেশকিছু ব্রান্ড তাঞ্জিল কে তাদের নিজের ডিজাইনার হিসেবে কাজের অফার ও করেছে। কিন্তু তার ইচ্ছা ইজে কিছু করা যার জন্য নিজেই একটি -তাঞ্জিল – নাম এর অনলাইন বুটিনক্স করেছে যার ফিউচার পরিকল্পনা অনেক বড়।সর্বোপরী কাজের ব্যাপারে তার বাবা তাকে অনেক সার্পোট দিচ্ছে।

বার্তাবাজার/আরএইচ

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর