রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতনভাতা উত্তোলনসহ ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মানীর দাবীতে পৌরকর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ঢাকায় আন্দোলনের শরীক হওয়ায় সকল নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে বি ত হচ্ছে বগুড়ার শেরপুর পৌরবাসীরা। ফলে সেবা বি তদের দূর্ভোগ ক্রমশই বেড়ে চলছে।
জানা যায়, গত ১৪ জুলাই রোববার থেকে সারাদেশের সব পৌরসভার কর্মচারীদের সাথে ঢাকায় আন্দোলনে শরীক হন শেরপুর পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। খোলা হচ্ছেনা পৌরসভার সকল সেবার কক্ষ। ফলে শেরপুর পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারীরা না থাকায় সেবা বি ত হয়ে পড়েছে ৯টি ওয়ার্ডের প্রায় অর্ধলক্ষ নাগরিক। পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী এহেন আন্দোলনে অংশগ্রহন থাকায় পৌরভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ল্যাম্প পোষ্টে আলো না জ¦লা, পৌর নাগরিকতত্ব ও জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে আসা নাগরিকরা বিপাকে পড়েছে, আদায় হচ্ছে না পৌরকর, ট্রেড লাইসেন্স না পাওয়ায় ব্যবসায়িকদের বেশ ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে পৌর রাস্তা ও ড্রেন পরিস্কারের ব্যবস্থায় নিয়োজিত জনবল না থাকায় ময়লা আর্বজনা এখন ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ময়লার স্তপে শুকর ও কুকুরদের খাবার সংগ্রহের চেষ্টায় ময়লাগুলো রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ছে। সে থেকে দুর্গন্ধ নির্গত হওয়ায় পথচারীরা না বিড়ম্বনায় পড়ছে।
এদিকে ল্যাম্পপোস্টে বাতি না থাকায় রাতে ভুতুড়ে শহরে পরিণত হয়েছে। নানা প্রতিবন্ধকতায় মধ্যে নাগরিক সেবা সমুহ বন্ধ থাকায় পৌরবাসি এখন নাকাল হয়ে পড়ছে। এদিকে রাতে ল্যাম্প পোষ্টে আলো না থাকায় সম্প্রতি ছেলে ধরা গুজবে উৎকন্ঠায় রয়েছে পৌরবাসীরা।
২৩ জুলাই বেলা ১১টার দিকে শেরপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বাদশা আলম নাগরিক সনদপত্র নিতে গিয়ে পৌরসভায় কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী পাননি। একই দিনে শুভ অধিকারী, রোজিনা খাতুন, পলি খাতুন, শাহাদৎ হোসেনসহ অনেক নাগরিক তাদের তাৎক্ষনিক বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে ফিরে আসছে পৌরসভা থেকে। কবে নাগাদ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলন শেষ হবে, ফিরে পাবে তাদের কাঙ্খিত সেবা সেই প্রতিক্ষায় দিন গুনছেন ভুক্তভোগী পৌরবাসীরা।
এ প্রসঙ্গে বগুড়া জেলা পৌরসভা সার্ভিস এসোশিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক উপ সহকারি প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর জানান, নিজস্ব আয় থেকে পৌরসভার কর্মকতা কর্মচারীদের বেতন ঠিকমত পাওয়া যায় না। যার ফলে প্রতিটি পৌরসভায় মাসের পর মাস বেতন বকেয়া থাকে। এ কারণে সারাদেশের সব পৌরসভায় রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন ভাতার দাবী করা হয়েছে। গত ১৪ জুলাই থেকে সারাদেশের পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী এ আন্দোলনে শরীক হয়েছে। আমরা আশা করি সরকার এই দাবী মেনে নিবেন।
এ প্রসঙ্গে পৌর মেয়র আলহাজ¦ মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, রাস্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন ভাতা প্রদানে সরকার আন্তরিক হলেই আমাদের জন্য সুবিধা। তবে এসব বিষয়ে সরকারের সাথে আন্দোলনরত প্রতিনিধিদের কথাবার্তা চলছে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি