শুরুটা বেশ ভালোই করেছিলো বাংলাদেশ।তবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি।ফলে সুযোগটা দারুণ কাজে লাগিয়েছে শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা।জয়সুরিয়ার ৫৬ আর দাসুন সানাকার হার না মানা অপরাজিত ৮৬ রানের সুবাধে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষ ৮ উেইকেট হারিয়ে ২৮২ রান সংগ্রহ করে দ্বীপ রাষ্ট্রটি।ফলে টাইগারদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৮৩ রানের।
২৬ জুলাই থেকে শুরু হবে মূল লড়াই।তার আগে গা গরমের জন্য মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) প্রস্তুতি ম্যাচ মাঠে গড়ায়। এদিন টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নে লঙ্কান দলনেতা। গুনাথিলাকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করেন নিরসন ডিকাওয়ালা।শুরুতেই লঙ্কানদের নিরাশ করেন নিরশন।ব্যাট করতে ডাক মারেন তিনি।অর্থাৎ রুবেলের বলে কনো রান না করে সাজঘরে ফিরেন তিনি।এরপর ব্যাট আসেন ফার্নেন্দো।তাকেও হটিয়ে দিলেন সিনিয়র টাইগার রুবেল।২ রান করে নিরশনের রুমে ফিরেন ফার্নেন্দো।
এবার আর বসে থাকেন রুবেল সঙ্গে অ্যাটাকে থাকা তাসকিন। মাশরাফি ইনজুরিতে পড়ায় ডাক পেলেন।বল হাতে বলা যায়, আপাতত আস্থার প্রতিদান দিলেন।তুলে নিলেন লঙ্কান ওপেনার গুনাথিলাকে।তিনি ফিরেন ২৬ রানে।
এরপর ম্যাচ নিয়েন্ত্রণে নেয় লঙ্কান দুই মডিল অর্ডার বাহানুকা রাজাপাকসা ও শেহেন জয়সুরিয়া।বল হাতে দায়িত্ব পালন করছেন রুবেল-তাসকিন।পালন করতে পারননি মোস্তাফিজ-তাইজুল।
ঘুরে দাঁড়াতে তামিমের চাই একটা উইকেট।এমন সময় বল তুলে দিলেন সৌম্যের হাতে।বাহানুকা রাজাপাকসাকে ফিরিয়ে ক্যাপ্টেনকে আস্থার প্রতিদান দিলেন সৌম্য।ব্যাডবয় খ্যাত সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন।তার আগে গড়েন ৮২ রানের জুটি।তার ফেরার পর উইকেটের দেখা পেলেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ।৭ রান করা অ্যাঞ্জেলো পেরেরাকে মেহেদী মিরাজের ক্যাচে পরিনত করেন ফিজ।তবে অপর প্রান্তে থাকা জয়সুরিয়া তুলে নিয়েছেন ফিফটি।
দলের দায়িত্ব যেন একাই কাধে তুলে নিলেন এই ওয়ান ম্যান আর্মি।তবে মেজর হয়ে উঠার আগে সৌম্যের শিকার হলেন তিনি।কাটা পড়ার আগে সংগ্রহ করেন ৫৬ রান।
এরপর ওয়ান ম্যান আর্মি হয়ে খেলেন দাসুন সানাকে।টাইগার বোলারদের নাকানি-চুবানি খাইয়ে নিজেদের স্কোর বোর্ডটা মানসম্মত স্থানে নিয়ে যান তিনি।৮৬ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন সানাকা।
বার্তাবাজার/এএস