১৯, নভেম্বর, ২০১৮, সোমবার | | ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

কোচিং সেন্টারে কনডম

আপডেট: নভেম্বর ১, ২০১৮

কোচিং সেন্টারে কনডম

মাদারীপুরের একটি কোচিং সেন্টারে স্কুলছাত্রীকে তিনদিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে এক শিক্ষক। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে ওই শিক্ষক।

খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে নির্যাতিত ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর শহরের কলেজ রোড এলাকার এক কোচিং সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শহরের কলেজ রোড এলাকার মজিবুর খানের বাড়ি ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং করায় রফিকুল ইসলাম নামের এক শিক্ষক। কোচিংয়ের সূত্রে ধরে নির্যাতিত ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় হয় রফিকুলের। রোববার শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে কোচিং সেন্টারের এক রুমে ডেকে নেয়। পরে তাকে আটকে রেখে তিনদিন ধরে ধর্ষণ করে।

মঙ্গলবার রাতে নির্যাতনের শিকার ছাত্রীর চিৎকার শুনতে পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। এ সময় পালিয়ে যায় কোচিং শিক্ষক রফিকুল।

স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত কোচিং শিক্ষক রফিকুল ইসলাম মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর এলাকার মজিবর বেপারীর ছেলে। কয়েক মাস আগে এখানে কোচিং সেন্টার খুলে বসে রফিকুল।

নির্যাতিত ছাত্রী বলেন, বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে তিনদিন ধরে আমার সঙ্গে খারাপ কাজ করেছে রফিক স্যার। কোচিংয়ের সময় আমাকে স্যারের গোপন রুমের মধ্যে আটকে রাখত। কারও সঙ্গে কথা বলতে দিত না। এমনকি আমার মোবাইলও নিয়ে যায় স্যার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) সিরাজুল ইসলাম বলেন, নির্যাতিত ছাত্রীকে ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। কোচিং শিক্ষক রফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। ওই শিক্ষকের কোচিং সেন্টার থেকে কয়েকটি কনডম উদ্ধার করা হয়েছে। ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষার পরে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি।