শেরপুর জেলার সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের মুন্সীরচর গ্রামের কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদক সম্রাট জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৮ মামলার আসামি শিপন (৩২) নিহত হয়েছেন। নিহত শিপন শেরপুর সদর উপজেলার মুন্সীরচর গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে।
২২ জুলাই সোমবার ভোরে জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা ডুমুর তলা গ্রামে এক ‘বন্দুকযুদ্ধ’ সংঘঠিত হয়। এসময় সন্ত্রাসী ও মাদক সম্রাট শিপন পালানোর চেষ্টাকালে গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস.আই) আজিজুর রহমান, এসআই রাজু আহাম্মেদ, কনস্টেবল নকরেট ও কং মিজানুর রহমান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি এ্যাপাচি মোটরসাইকেল, পাইপগান ও ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।
বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে এম মাহাবুবুল আলম সাংবাদিকদের জানান, বকশীগঞ্জ উপজেলার ডুমুর তলা গ্রামে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসী ও মাদক সম্রাট শিপন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিক মুন্সীরচর এলাকাবাসী জানায়, সে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও বিভিন্ন মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এছাড়াও শিপনের বিরুদ্ধে তার মা ও চাচাকে হত্যাসহ তিনটি হত্যা মামলা এবং শেরপুর, শ্রীবরদী ও বকশীগঞ্জ থানায় মোট ১৮টি মামলা রয়েছে।
বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসী ও মাদক সম্রাট শিপন নিহত হওয়ায় এলাকায় সবস্তরের মানুষের মাঝে সস্তির নিঃশ্বাস ফিরে এসেছে।
বার্তাবাজার/এসআর