ত্রানের জন্য বানভাসি মানুষের আ-হা-জা-রি

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পানি কমতে থাকলেও বানভাসি মানুষের দুভোগ বাড়তে থাকে। শনিবার সকাল থেকে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করে। বন্যার্দুগতরা আক্রান্ত হচ্ছে নানা রকম পানিবাহীত রোগে। এছাড়া একাধিক স্থানে বন্যাকবলিত মানুষের কপালে ত্রান নামক বস্তুটি। ফলে ত্রানের জন্য বানভাসিরা আ-হা-জা-রি করছে। পানিতে নৌকা ও রাস্তায় গাড়ি দেখলেই ত্রানের জন্য ছুড়ে আসছে বন্যাকবলিত মানুষরা। সরকারী ভাবে যে ত্রাণ পাওয়া গেছে তা বানভাসিদের জন্য খুবই অপ্রতুল।

শনিবার সরেজমিনে পৌর শহরের শিমলাপল্লী, শিমলা বাজার, আরামনগর বাজার, বাস ষ্টেশন, বাউসী বাজার, বাউসী বাঙ্গালী, শিমলাপল্লী, তাড়িয়াপাড়াসহ ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। গতকাল পৌর শহরের বাউসী বাজার ও বাউসী বাঙ্গালী এলাকায় পৌর মেয়র রুকুনুজ্জান বাসভাসিদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন। এ খবর পেয়ে দুপুর ১২টা থেকে বানভাসিরা ভিড় জমাতে থাকে। দুপুর ২টায় ত্রানের গাড়ি বাউসী বাজারে পৌচ্ছে। ত্রাণ নেওয়ার জন্য হুড়াহুড়ি করতে থাকে নব বয়সের নারী পুরুষ সবাই । ভিড়ের মধ্যে শিশুরাও ত্রানের আশায় যায়।

শনিবার পৌর শহরের চর বাঙ্গালীপাড়ায় পৌর মেয়র রুকুনুজ্জামানের উদ্যোগে ১০০ জন, সাতপোয় ১০০ জন ও বাউসী বাজার এলাকায় ১০০ জন বানভাসির মধ্যে মুড়ি ও চাল ও ঔষধ বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত থেকে বন্যার্তদের মধ্যে মুড়ি ও চাল বিতরণ করেন পৌরসভার মেয়র রুকুনুজ্জান। আরও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার ৯ নং ওয়াডের কাউন্সিলর আব্দুল মালেক, সাংবাদিক মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক মাহফুজ আহমেদ, পৌর ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক আরএম রাকিব প্রমুখ।

বন্যার পানিতে ভেঙ্গে যায় সরিষাবাড়ী-জামালপুর সড়ক। ছবি-বার্তা বাজার।
সরিষাবাড়ী ফায়ার সাভিস ষ্টেশনে বন্যার পানি ঢুকলে ভেলা দিয়ে যাতায়াত করছে ফায়ার সাভিস কর্মীরা। -বার্তা বাজার।

বার্তাবাজার/এসআর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর