সাতক্ষীরার শ্যামনগরের জয়নগর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম কর্তৃক হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলা ও তার সস্ত্রাসী কর্মকান্ড থেকে রেহাই পাইবার জন্য সংবাদ সম্মেলন করছেন একই গ্রামের ফজর আলী শিকারী। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে তিনি এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
জয়নগর গ্রামের মৃত বেলায়েত শিকারীর ছেলে ফজর আলী শিকারী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ। অতিকষ্টে একটি রাইচ মিল ও স’মিলের ব্যবসা করে আসছি। আমার কোন সন্তানদি নাই। উক্ত সিরাজুল গত ২৫/০৬/১৯ তারিখে আমলী আদালত ৫ (শ্যামনগর) আমারসহ আরো ৭ জনের বিরুদ্ধে দন্ড বিধি আইনের ১৪৩/৪৪৭/৩৪২/৩২৩/৩৮৫/৩৮৬/৫০২(২য়)/৩৪/১৪৪ ধারায় পিটিশন ১০০/১৯ (শ্যামঃ) মামলা দায়ের করেছে।
যাহা আদালত ওসি, ডিবি সাতক্ষীরার নিকট তদন্ত পাঠিয়েছেন। উক্ত মামলার সকল ঘটনা মিথ্যা, বানোয়াট, ষড়যন্র মূলক ও হয়রানী মূলক হইতেছে। উক্ত সিরাজুলেরও মিলের ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসায়ীকে শত্রুতার কারনে তিনি আমাকেসহ মামলার অন্যান্যদেরকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে এবং প্রভাব খাটিয়ে কতৃক সস্ত্রাসীর মাধ্যমে চাঁদা দাবী করে আসছে। চাঁদা না পেয়ে উল্টা আমারসহ নিরিহ কতৃক মানুষের বিরুদ্ধে চাঁদাদাবির মিথ্যা মামলা করে হয়রানী করছে। তিনি আরো বলেন, এই সিরাজুলসহ তার সস্ত্রাসী বাহিনী গত ইং ১৯/০৫/১৬ তারিখ আমার রাইচ মিলে ও বসত ঘর আগুন ধরিয়ে দুই লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করছিল। যার কারনে শ্যামনগর থানায় তিনি মামলা রেকর্ড করেন। যাহা বিচারিক আদালতে চলমান রয়েছে। সস্ত্রাসী সিরাজুল বর্তমান উক্ত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাকে মৃত্যূর হুমকি দিচ্ছে। এমতাবস্থায় তিনি (ফজর আলী শিকারী) চাঁদাবাজ সস্ত্রাসী ও প্রভাবশালী সিরাজুলের ষড়যন্র মূলক মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষা পেতে ও তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন শহিদুল্লাহ, অজেদ আলী প্রমুখ।
বার্তাবাজার/এসআর