নাগরিকসেবা থেকে বঞ্চিত কটিয়াদী পৌরবাসী

রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা ও পেনশনের দাবিতে সারাদেশের পৌরসভার কর্মচারীদের আন্দোলনে রয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে।

আন্দোলনে অংশ হিসেবে কটিয়াদীসহ কিশোরগঞ্জের আরো ৮টি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। তাদের কর্মবিরতির ফলে পৌরশহরের অলিগলিতে জমেছে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ।

রাতের বেলায় জ্বলছেনা পৌর শহরের সড়ক বাতি। এতে করে একদিকে যেমন বাড়ছে জনদুর্ভোগ আবার অন্যদিকে নাগরিকসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন পৌরবাসী।

রাজস্বখাত থেকে বেতন প্রদান ও পেনশনের দাবিতে সারাদেশে পৌরসভার কর্মচারীরা ঢাকায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। এদের থেকে বাদ নেই কটিয়াদী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। অবস্থান কর্মসূচি হিসেবে ৩২৮টিপ পৌরসভার সাথে কটিয়াদী পৌরসভাও যোগ দিয়েছেন।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের এ যৌক্তিক দাবি আদায়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে, নাগরিকসেবায় যেন ভোগান্তি না হয় তাও বিবেচনা করেছি, এখন আমাদের আর কোনো পথ নেই। দাবি আদায়ে আমরা আন্দোলনে আছি।

কর্মবিরতি পালন করায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানসহ সব নাগরিক সেবাও বন্ধ রয়েছে। পৌর শহরের মোড়ে মোড়ে, বাজারের গলিতে কয়েকদিনের ময়লা আবর্জনার স্তুপ লক্ষ করা গেছে। আবার ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছে চারপাশে।

পৌর শহরের সড়ক বাতিগুলো না জ্বলানোর ফলে বাজারে সন্ধার পর দোকানের আলো ছাড়া অন্য কোনো আলো দেখা যায় না, আবার বাজারের পাশে পৌর সড়কগুলো অন্ধকারে রূপ নেয়। পথে পথে ময়লার স্তুপ, রাতে সড়ক বাতি না জ্বালা, জন্মনিবন্ধন সনদ না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে পৌরবাসী।

বৃহস্পতিবার জন্মনিবন্ধনের জন্য আবদুল খালেক জানান, চারদিন যাবৎ জন্মনিবন্ধনের জন্য ঘুরে যাচ্ছি, নতুন ভোটার তালিকা করবো বলে কিন্তু জন্মনিবন্ধনই পাচ্ছি না, ভোটার হবো কিভাবে।

আন্দোলনরত কটিয়াদী পৌরসভার কর্মচারীরা জানান, বছরের পর বছর পৌরবাসীকে রোদ ঝড় বৃষ্টিতে সেবা দিয়ে মাস শেষে তাদের বেতনের খবর থাকে না, চাকরি শেষে পেনশন পান না। আমরা বেতন ভাতার জন্য আন্দোলনে আছি। এর জন্য যে কষ্ট করছে পৌরবাসী তার জন্য আমাদের দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া কিছুই করার নেই।

বার্তাবাজার/এসআর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর