রোহিঙ্গারা শরণার্থীরা কোথায় জানেন না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অথচ রোহিঙ্গাদের নিপীড়নের অভিযোগে গত মঙ্গলবার মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ চার জেনারেলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
এর পরদিন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করেন ধর্মীয় কারণে নির্যাতনের শিকার ১৭টি দেশের কয়েকজন। সেখানে একজন রোহিঙ্গা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে তার পরিকল্পনা কী? এর জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটা আসলে ঠিক কোথায়?’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডার জানায়, বুধবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেন চীন, তুরস্ক, উত্তর কোরিয়া, মিয়ানমারসহ ১৭টি দেশের কয়েকজন নারী-পুরুষ। সেই বৈঠকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, একজন রোহিঙ্গা, যিনি বাংলাদেশের শরণার্থী শিবির থেকে এসেছেন বলে ট্রাম্পকে জানান। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় আপনার পরিকল্পনা কী?
এর জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘সেটা আসলে ঠিক কোথায়?’ এ সময় ট্রাম্পের পাশে দাঁড়ানো অপর একজন তাকে বলেন, ‘বার্মার পাশে’।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিপীড়নের মুখে দেশটির সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম জাতিগোষ্ঠীর সাড়ে সাত লাখেরও বেশি মানুষ পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে আসে।
এই অভিযানে কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয় বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো দাবি করেছে। হত্যাকাণ্ড ছাড়াও নারী-শিশুদের ওপর নিপীড়ন, গণধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট চালায় মিয়ানমার বাহিনী। রোহিঙ্গা গণহত্যা উদাহরণ হিসেবে পাঠ্যপুস্তকে উল্লেখ করার মতো বলে জানায় জাতিসংঘ।
বার্তাবাজার/এসআর