প্রশিক্ষকের গাফিলতিতে খুড়িয়ে চলছে নৃত্যকলা বিভাগ

পটুয়াখালী শিশু একাডেমীর নৃত্যকলা বিভাগের নৃত্য প্রশিক্ষক মনিরুজ্জামানের আধুনিক নৃত্যের কোনো জ্ঞান না থাকা,অভিভাবকদের সাথে অসৌজ্যমূলকমূলক আচরণসহ নানা অভিযোগ এনে তাকে পরিবর্তন করে একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন অভিভাবকরা।

অভিভাবকরা জানান, কিছুদিন আগে শিশু একাডেমীর অডিটোরিয়ামের মঞ্চে নৃত্যের ক্লাস করানো হতো। বর্তমানে শিশু একাডেমীর তৃতীয় তলার আলাদা আলাদা কক্ষে ক্লাস করাচ্ছে নৃত্য প্রশিক্ষক মনিরুজ্জামান। যার ফলে আমরা দেখতে পারছি না সন্তানরা কী শিক্ষা গ্রহণ করছে। নৃত্য প্রশিক্ষক মনিরুজ্জামান শিক্ষার্থীদের ও তাদের অভিভাবকদের সাথে অসৌজন্যমূলকমূলক আচরণ, পক্ষপাতিত্ব ও মেয়াদ উত্তীর্ণ মেকআপ ব্যবহার করেছে যার ফলে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মুখে ব্রুণ দেখা দিয়েছে।

অভিভাবকগণ আরো জানান, প্রশিক্ষক মনিরুজ্জামানের আধুনিক নৃত্যের কোনো সাধারণ জ্ঞান নেই। অন্য শিক্ষক না থাকায় বাধ্য হয়ে তারা (মনিরুজ্জামান) কাছে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে।
জেলা প্রশাসক তদন্ত করলে যার সত্যতার প্রমান পাবে । তাই তারা একজন অভিজ্ঞ নৃত্য প্রশিক্ষক নিয়োগের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে নৃত্য প্রশিক্ষক মনিরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বার্তা বাজারকে জানান, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। একজন মানুষের পক্ষে ৩৭ জন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকের মন জয় করা যায় না।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, তদন্ত কমিটি করেছি তদন্ত রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বার্তাবাজার/এসআর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর