জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবারহ কেন্দ্রের সামনে ঢাকা – ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।
বিগত কয়েক সপ্তাহ থেকেই একাধারে প্রতিদিন ৮-১০ ঘন্টা বিদ্যুৎ নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাটাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের চলছে ইয়ার ফাইনাল ও সেমিস্টার পরীক্ষা। এ নিয়ে বারবার বিদ্যুৎ অফিস কে অবগত করলেও তারা কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি । তারই পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ জুলাই রাত ৮ টা ৩০ থেকে ৯ টা ৪৫ নাগাদ ঢাকা – ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছিলেন কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
ত্রিশাল মডেল থানার এস আই আব্দুল লতিফ এসে ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র অফিস এর ভিতরে থাকা বিদ্যুৎ কন্ট্রোরাল কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ এর সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে মহাসড়কে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এই কর্মকর্তা । শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হয়ে কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন মোজ্জামেল হক অনিক,আশরাফুজ্জামান রিয়াদ,মারুফ খান সুজাত প্রমুখ । তারা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এর এক দফা দাবিতে কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন ।
বিদ্যুৎ কন্ট্রোলার আব্দুল মজিদ বলেন- “অফিসে সিনিয়ার কর্মকর্তা নেই।তবে ফোনে কথা হয়েছে। আর আমিই বিদ্যুৎ কন্ট্রোলার হিসেবে আছি। এখন থেকে আর এই পরিবেশ সৃষ্টি হবে না”।
ত্রিশাল মডেল থানার এস এই আব্দুল লতিফ বলেন ,”মহাসড়ক অবরোধ এর কথা শুনামাত্রই আমরা এসেছি । আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কয়েকজন প্রতিনিধি ও বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তার সাথে কথা বলার ব্যবস্থা করেছি”। শিক্ষার্থীরা কর্মকর্তার কথায় আশ্বস্থ হয়ে ক্যম্পাসে ফিরে গেছে । এখন যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ করছে পুলিশ সদস্যরা।
উল্লেখ্য জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এর আবাসন সংকট এর কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় এর আশেপাশের ছাত্রাবাসগুলোতে থাকে। সেখানে একটু পর পর লোডশেডিং হতে দেখে গেছে। যদিও বিদ্যুৎ অফিস সংশ্লিষ্টরা এটিকে লোডশেডিং না বলছে কিছু ত্রুটির কারণে সংযোগ বন্ধ রাখতে হয়।
আন্দোলন চলাকালে বিদ্যুৎ অফিস এবং বিশ্ববিদ্যালয় এর কোন ঊর্ধ্বত একটু পর পর লোডশেডিং হতে দেখে গেছে। যদিও বিদ্যুৎ অফিস সংশ্লিষ্টরা এটিকে লোডশেডিং না বলছে কিছু ত্রুটির কারণে সংযোগ বন্ধ রাখতে হয়।
আন্দোলন চলাকালে বিদ্যুৎ অফিস এবং বিশ্ববিদ্যালয় এর কোন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা শিক্ষককে ঘটনাস্থলে দেখা যায় নি।
বার্তাবাজার/এসআর