কর্মী থেকে নেতা হওয়ার গল্প

একজন সাধারণ ছাত্রলীগ কর্মী থেকে সততা নিষ্ঠা কর্মদক্ষতা আর নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় আজ তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি।সফলতার গল্পগুলো সবসময় চমকপ্রদ হয় তবে গল্পের পেছনের গল্পটা একটু ভিন্ন। নানা চড়াই উতরাই ঘাত প্রতিঘাত নির্যাতন নিপীড়ন আর অজস্র ত্যাগ স্বীকার করে আজ তিনি সাফল্যের চূড়ায়।

বলছিলাম রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম জেলার কৃতি সন্তান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম রবিউল ইসলাম পলাশের কথা।
দীর্ঘ আট মাসের অচলাবস্থার পর গত রবিবার (১৪ জুলাই) মধ্যরাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি প্রদান করেন।এতে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী এসএম রবিউল ইসলাম পলাশকে সভাপতি এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

জানা যায়,কুড়িগ্রাম জেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের জোলাপড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম ও ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী পরিবারে জন্মগ্রহণকারী মেধাবী এ ছাত্রনেতা ইবি শাখা ছাত্রলীগের সাইফুল-অমিত কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন।
সম্প্রতি তিনি ইবির ইংরেজি বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন আইআইআর এর ব্যাচেলর অব এডুকেশনের ( বিএড) কোর্সে অধ্যয়নরত আছেন।
তার বাবার নাম মোহাম্মদ আবুল হোসেন সরকার পেশায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং মা মোছাম্মত রওশন আরা বেগম পেশায় গৃহিণী। তার বাবা ভোগভাঙ্গা ইউনিয়নের (থানা ও জেলাঃ কুড়িগ্রাম) ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি, চাচা ভোগভাঙ্গা ইউনিয়ন (থানা ও জেলাঃ কুড়িগ্রাম) আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,জন্মলগ্ন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন আওয়ামী পরিবারে বেড়ে উঠায় কলেজ জীবন থেকেই ছাত্রলীগের সকল প্রকার কর্মকান্ডের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১২ সাল থেকে ছাত্রলীগের কর্মকান্ডে তিনি ছিলেন অগ্রদূত। একসময়ের শিবিরের ঘাটি খ্যাতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালকে শিবিরমুক্ত করতে গিয়ে কয়েকবার শিবিরের সাথে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ায় গুরুত্বর আহত হয়েছেন। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন পূর্ববর্তী জামাত-শিবির ও বিএনপির জালাও পোড়াও সহিংসতা দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিরোধীতাকারী চক্রের ফাঁসির দাবিতে রাজপথে মিছিল ও সমাবেসে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল তার। প্রফেসর পাই (পেন নেইম) আইডি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুকে ২০১৩ সাল থেকে এখন অবধি অনলাইনে জামাত-শিবির ও বিএনপির মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লেখালেখিতে তার গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে। তিনি চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ নামক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন খুলে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা (যেমনঃ বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শিরোনামে রচনা প্রতিযোগীতার আয়োজন ও পুরুষ্কার বিতরণ) করেছেন ।

উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগে এই প্রথম আঞ্চলিকতার গন্ডি পেরিয়ে সুদূর রংপুর বিভাগ থেকে আগত ছাত্রনেতা পেল যা বিভিন্ন মহলে প্রশংসা পেয়েছে।

বার্তাবাজার/এসআর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর