বাসে গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা, হেলপার গ্রেফতার

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী বাসে গৃহবধূ ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জুলহাস (২০) নামে এক হেলপারকে গ্রেফতার করেছে ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ। ১৬ জুলাই মঙ্গলবার রাতে জুলহাসকে গ্রেফতার করা হয়। জুলহাস শেরপুর সদর উপজেলার তাতালপুর গ্রামের উসমান আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুলাই রাতে মেট্রো-ব-১২-০৪২১ নং মমিন পাগলের দোয়া বাসে করে হামিদা খাতুন নামে এক গৃহবধূ গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বাস ছাড়ার পর থেকেই ওই বাসের চালক ও হেলপার গৃহবধূ হামিদাকে উক্তত্য করতে থাকে। এক পর্যায়ে রাতে বাসের যাত্রীরা ঘুমিয়ে পড়লে। এসময় ওই বাসের হেলপার জুলহাস হামিদাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু হামিদা নানা কৌশলে ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেলেও স্লীলতাহানীর হাত থেকে রক্ষা পায়নি। পরে এ অবস্থায় রাত ৩টার দিকে গাজীপুর গড়গড়ীয়া মাস্টার বাড়ীতে যাত্রী হামিদা নেমে যায়।

গার্মেন্টস কর্মী হামিদা স্বামীসহ গাজীপুর মাস্টার বাড়ীতে থাকে। হামিদার স্বামী খলিলুর রহমান ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের ভারুয়া গ্রামের বাসিন্দা। গত ৮ জুলাই হামিদা তার স্বামীকে রেখে নিজ এলাকায় আসে ভোটার তালিকায় তার নাম অর্ন্তভূক্তি করার জন্য। ভোটার তালিকার কাজ সেরে ৯ জুলাই রাত ১১টায় তার শ্বশুর কলিম উদ্দিন ওই গাড়ীতে উঠিয়ে দেন।

এ ঘটনায় গৃহবধূ হামিদার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের হস্তক্ষেপে মঙ্গলবার রাতে ওই হেলপারকে গ্রেফতার ও বাসটি ঝিনাইগাতী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এব্যাপারে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাসটি আটক করা হয়েছে । ১৭ জুলাই বুধবার বিকালে গ্রেফতারকৃত আসামী জুলহাসকে আদালতে সোর্পদ করা হলে আদালত তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, অন্য আসামীদের গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

বার্তাবাজার/এসআর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর