চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে নির্মাতা এহসানুল ঈশানের ভাবনা

এহসানুল ঈশান ।
কাজ শুরু করেছেন সহকারী পরিচালক হিসাবে।খুব অল্প সময়ের ভেতরেই কঠোর পরিশ্রম ও মেধার জোরে কাজ করেছেন বেশ কিছু নাটকে,টিভিসি,ওভিসি,স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে,প্রামন্যচিত্রে।। সম্প্রীতি তিনি নিজেই নির্মান শুরু করেছেন এবং প্রশংসার সাথে কাজ করে চলেছেন।

ভালো নির্মাতা হওয়ার স্বপ্নটা কি ছোট বেলা থেকেই ছিল?

– না, নির্মাতা হওয়ার স্বপ্ন ঠিক ছিল না।কিন্তু ছোটবেলা থেকে ছবি তোলা এবং আকাঁনো হতো শখের বশে । যখন থেকে বুঝতে শিখেছিলাম একটা ফ্রেমও গল্প বলে,ঠিক তখন থেকেই ফ্রেমে ফ্রেমে গল্প জুড়ে নির্মাতা হওয়ার স্বপ্ন দেখতে থাকি।আমি গল্প বলতে চাই অনেক,হাজার হাজার গল্প,লক্ষ লক্ষ গল্প বলতে চাই শুধুই আমার ঢঙে!

এহসানুল ঈশানের শুরু থেকে যাত্রাটা কেমন ছিল?

আমার যাত্রাতো এখনও শেষ হয়নি,বলা যায় মাত্র শুরু হয়েছে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছি,এই পথে স্বাভাবিকভাবেই নানা নতুন জিনিষ অপেক্ষা করছে।তাই যাত্রা পথ নিয়ে আমি কিছুই ভাবি না।একটা কথা বলতে পারি, আমি কখনো হারতে শিখিনি,হয় জয়ী হয়েছি নতুবা নতুন কিছু শিখেছি।

এই সময়ে কি করছেন?

একটি প্রামন্যচিত্র নির্মাণ শেষ করেছি।খুব তাড়াতাড়ি অফিশিয়ালী জানাব সবাইকে।অন্যদিকে এখন একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রি প্রডাকশনের কাজ চলছে।কিন্তু তা সম্পর্কে এখনি কিছু বলতে চাই না। তবে জীবনের অর্থ এখানে ভিন্নভাবে অনুধাবন করতে পারবেন দর্শক।

চলচ্চিত্রের ভবিষ্যত সম্পর্কে কি ভাবনা আপনার??

আমি বরাবরই খুব আশাবাদী মানুষ।তাই চলচ্চিত্রের ভবিষ্যত সম্পর্কেও আমার আশা খুবই ইতিবাচক । এখন অনেক তরুন মেধাবী নির্মাতা ভালভাল কাজ উপহার দিচ্ছে যা খুবই ভালভাবে দর্শক গ্রহন করছে। আর দর্শকও এখন সুস্থ ধারার চলচ্চিত্রের উপর বেশি আস্থা পোষণ করে।

কিভাবে মনে করেন চলচ্চিত্রের সুদিন আসবে?

যতদিন আমরা দর্শক খুজতে থাকবো ততদিন আমরা বেশি বেশি দর্শক হারাবো।দর্শকতো সব স্বাদ নিতে চায়,তারা কখনোই ক্লান্ত না,তারা চির সবুজ কিন্তু আমরা তো তাদের চাহিদা মোতাবেক রুচিশীল কাজ দিতে ব্যার্থ। গত কয়েকবছরে হতে গোনা কয়েকটা ভাল ছবি হয়েছে,সেগুলাতে কি দর্শক সাড়া দেয়নি?অবশ্যই দিয়েছে।তার মানে,আমাদের দর্শক আছে। রুচিশীল,শিল্প সমৃদ্ধ গল্প মানুষকে টানে। শিল্পসমৃদ্ধ কাজই ইন্ডাস্ট্রিকে সমৃদ্ধ করতে পারে । দর্শককে আকৃস্ট করতে যেয়ে অনেক নির্মাতাই সস্তা মানের কাজ তৈরি করেন।সস্তা আবেগ,কমেডির নামে ভাড়ামী,অশ্লীল বিষয়বস্তুর কাহিনী দর্শককে সুস্থ বিনোদন তো দিচ্ছেই না,বরং বিরক্ত করছে। আমি বরাবরই একটা কথা বলতে চাই,যে কোন নির্মাণে শিল্পের মান রক্ষা করাটা খুব জরুরী।যেমন সুস্থ দেহের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানি জরুরী ।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর