২১, নভেম্বর, ২০১৮, বুধবার | | ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

চাঁদা না দেয়ায় কার্যালয় ভাঙচুর করলো ছাত্রলীগ

আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৮

চাঁদা না দেয়ায় কার্যালয় ভাঙচুর করলো ছাত্রলীগ

চাঁদা না দেয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আমবাগানের এক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। রোববার দুপুরে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন- শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক হাসান ও অভিষেক মন্ডল, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক নীলাদ্রি শেখর মজুমদার ও মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল ইসলাম।

ভুক্তভোগীরা ‘রিভারল্যান্ড ব্রডব্যান্ড সার্ভিস’ –এর স্বত্বাধিকারি ইসমাইল ইবনে ওয়ালী ও শাহাদাত হোসেন। তারা দুজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, দুপুরে আমবাগানে অবস্থিত নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে বসে কাজ করছিলেন ইসমাঈল ইবনে ওয়ালী। এসময় সেখানে ছাত্রলীগের ওই চার নেতাকর্মী যান। তাদের সঙ্গে ইসমাঈল হোসেনের বাগবিতন্ডা হয়। পরে কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করেন তাঁরা। এরপর ইসমাইলকে কার্যালয় থেকে বের করে দিয়ে দোকানে তালা দেন ছাত্রলীগের ওই নেতাকর্মীরা।

ভুক্তভোগী ইসমাইল ইবনে ওয়ালী বলেন, তিনি ও শাহাদাত হোসেন যৌথভাবে গেল বছরের ডিসেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আমবাগানে ইন্টারনেট সরবরাহকারী একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান খোলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এই কার্যালয়ে যোগাযোগ করে চাঁদা দাবি করেন তারেক হাসান ও অভিষেক মন্ডল। বিষয়টি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদককে জানানো হয়। সেই থেকে আর কোন যোগাযোগ করেনি তারেক ও অভিষেক। ওই ঘটনার জেরেই এ ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগের ব্যাপারে অভিষেক মন্ডল বলেন, ‘এ ধরনের কোন ঘটনার সঙ্গে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। আমার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ক্ষুন্ন করার জন্য কেউ ষড়যন্ত্র করে থাকতে পারে।’

তারেক হাসান বলেন, ‘যারা অভিযোগ করেছে তারা ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমাদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে এমন অভিযোগ করছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সিকদার মো. জুলকারনাইন বলেন, ‘এ ধরনের কোন অভিযোগ পাইনি। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বাইরের ঘটনা সেক্ষেত্রে থানায় অভিযোগ করার কথা।’