নাম তার তার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন,যার সম্পর্কে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই! পেশায় একজন ব্যারিস্টার। কিন্তু দায়িত্ব নিয়েছেন সমাজ বদলে দেয়ার। একাই এর জন্যে লড়ে যাচ্ছেন ‘ওয়ান ম্যান আর্মি’র মত করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্নসময় জনসচেতনামুলক ভিডিও ও ফেসবুক লাইভ করে আসছেন হবিগঞ্জের ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুর হক সুমন। যা বেশিরভাগ সময় ভাইরাল হতে দেখা যায় এবং সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে কর্তৃপক্ষ।
লন্ডনে পড়াশুনা করা আজকের এই সুমনের সফলতার পেছনে আছে এক কষ্টের কাহিনী। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানালেন সেই কথা।
ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ইংল্যান্ডের লাইফটা ছিল খুবই কঠিন। ইংল্যান্ডে আমার যে আত্মীয় স্বজন, আমি সেখানে যাওয়ার কিছুদিন পর তারা কেউ আমার পাশে ছিল না। যার কারণে বাস্তবতার মুখোমুখি হই।
তিনি বলেন, কোন উপায় না পেয়ে আমি ট্রলিম্যানের হিসেবে কাজ শুরু করি। আমাদের দেশে যাদেরকে আমরা কুলি বলি। সেই কুলির কাজও করেছি- এটা সবসময় স্বীকার করি। আবার ড্রাইভারি করতাম। এসব কাজ করে কিছু টাকা জমাই। ২০০৮ সালে বার অ্যাট ল করতে শুরু করি।
লন্ডনে থাকা অবস্থায় সবচেয়ে দুঃখের কথা শেয়ার করতে গিয়ে সুমন বলেন, বার অ্যাট ল শুরু করার ১৭ দিনের মাথায় আমার বাবা মারা যান বাংলাদেশে। কিন্তু তখন আমার পকেটে কোন টাকাই ছিল না যে, বাবার লাশ দেখতে আসবো।
টাকার অভাবে বাবার জানাজায় আসতে পারিনি, বাবার লাশ দাফন করতে পারিনি। শেষবারের মত বাবার মুখটা দেখতে পারিনি শুধু টাকার অভাবে। সেই কষ্টের কথা ভুলতে পারি না।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি