যমুনার পানি অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকায় বগুড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ বন্যা রক্ষা বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে তিন উপজেলার ৪৭টি বিদ্যালয়। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে বানভাসি মানুষেরা। দুর্গতরা কোনো সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ করলেও এলাকার ইউপি সদস্যরা জানান, শুকনো খাবার দেয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত দুদিন ধরে উজানের ঢলে যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা এবং ধুনটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে সারিয়াকান্দি উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ হাজার পরিবারের ৪০ হাজার মানুষ।
বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ, গরু-ছাগল সাংসারিক জিনিসপত্র নিয়ে বাঁধে এবং বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিচ্ছে।
আশ্রয়কারীদের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত এসব মানুষের পাশে কোনো জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি লোক সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসেনি।
বন্যায় সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলার ৪৭টি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে উইপি চেয়ারম্যানের ন্যায় একই দাবি করেন এলাকার সংসদ সদস্য।তিনি জানান, দুর্গত মানুষগুলোর জন্য ইতোমধ্যে শুকনো খাবার দেয়া শুরু হয়েছে। দুই একদিনের মধ্যে চাল বিতরণ শুরু হবে।
বগুড়ায় এ পর্যন্ত ৫ শ’ মেট্রিক টন চাল, ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৮ লাখ টাকা এবং ৫ শ’ তাবু বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
বার্তাবাজার/এএস