এরশাদের মৃত্যুতে মুষড়ে পড়েছে রংপুরের জাতীয় পার্টি। তারওপর প্রিয় নেতার অন্তিম সমাধি রংপুরে না হওয়ার খবরে কষ্ট রুপ পেয়েছে ক্ষোভে।
সকাল ৭টা ৪৫ এ মারা গেলেও কিছুটা বিলম্বে গণমাধ্যমে আসে এরশাদের মৃত্যুর খবর। প্রিয় নেতার অন্তিম যাত্রার এই খবরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে নেতাকর্মীরা। ছুটে আসে দলীয় কার্যালয়ে। যাদের কারও কাছে পিতা, কারও কাছে আদর্শিক নেতা আবার কারও কাছে ছিলেন গীতি কবি।
সুদিনে না হলেও দুর্দিনে পাশে ছিলো রংপুরের মানুষ। রংপুরের মানুষের ভালোবাসায় কিংবদন্তী হয়েছেন এরশাদ। তার অন্তিম শয়ন রংপুরে হবে না, মানতে পারছে না মানুষ।
এরশাদের কবর নিয়ে নিজেদের অবষ্থান সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দিয়েছেন মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও রংপুর সিটির মেয়র মোস্তফা। রংপুর সিটি করপোরেশ মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা বলেন, ‘রংপুর যেহেতু এরশাদের স্মৃতি বিজড়িত। তাই আমরা সকলেই চাই তাকে যেনো রংপুরেই কবর দেওয়া হয়।’
মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর রংপুর ঈদগাহ ময়দানে তার জানাযা হবার কথা রয়েছে।