মুহাম্মদ উল্যাহ সজীব, নোয়াখালী (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী) প্রতিনিধি নোয়াখালীর সেনবাগের মধ্যম মোহাম্মদপুর ভূঁঞার দীঘি দৌলত বাড়ীতে ছেলেধরা সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলা (৪৫) কে স্হানীয় জনতা গণধোলাই দিয়ে মারাত্মক জখম করেছে।খবর পেয়ে সেনবাগ পুলিশের এস আই তানভীর আহাম্মদের নেতৃত্বে পুলিশ ওই মহিলাকে উদ্ধার করতে গেলে স্হানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজন পুলিশের ভাড়া করা একটি মাইক্রো (চট্র মেট্রো চ-১১-৩৫৫৩) ভাংচুর করেছে।শনিবার দুপুরে পুলিশ ভারসাম্যহীন ওই মহিলাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
স্হানীয় লোকজন জানান,শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ভূঁঞারদীঘি দৌলতবাড়ীর মোয়াজ্জেম হোসেনের বসত ঘরে তার শ্বাশুড়ীর উপস্হিতিতে নয় মাস বয়সের শিশু রিয়াদ খেলছিলো।এমন সময় মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলা ঘরে প্রবেশ করে শিশুটিকে কোলে নেয়,তখন শ্বাশুড়ী খায়রুন্নেছা লক্ষ্য করেন নাতি মেঝেতে নেই, শিশু রিয়াদ অপরিচিত মহিলার কোলে। তিনি ছেলেধরা সন্দেহে ডাকচিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে মহিলাকে বেদম প্রহার করেন। ভারসাম্যহীন মহিলাটি তার নাম ঠিকানা বলতে না পারায় উচ্ছশৃংখল লোকজন তাকে গণধোলাই দেন। পুলিশ মহিলাকে উদ্ধার করে গাড়িতে উঠানোর সময় উৎসুক জনতা মহিলাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে পুলিশের ভাড়া করা গাড়ি ভাংচুর করে।
সেনবাগ থানার ওসি মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভারসাম্যহীন মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে ছেলেধরা সন্দেহে মহিলা আটকের খবরে ঘটনাস্হল এলাকা ও সেনবাগ থানায় তাকে দেখার জন্য শত শত উৎসুক জনতা ভীড় করতে দেখা যায়।