শিক্ষার্থীদের আড্ডায় মুখরিত বেরোবি ক্যাফেটেরিয়া

জাঁকজমক ভাবে চলছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া। ক্যাফেটেরিয়া চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের কষ্ট অনেকাংশে লাঘব হয়েছে। এখন আর কষ্ট করে ক্যাম্পাস সংলগ্ন পার্কের মোড়ে নাস্তা করতে যেতে হচ্ছে না। দীর্ঘদিন পর পূর্ণাঙ্গভাবে ক্যাফেটেরিয়া চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীরা আনন্দিত। ক্লাসের আগে কিংবা পড়ে ক্যাফেটেরিয়া মুখরিত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পদচারণায় আর আড্ডায়।
ক্যাফেটেরিয়ায় এখন চা, বিস্কুট, সিঙ্গারা, পিঁয়াজু, নুডুলস, চটপটি, ফুচকা ও খিচুড়ির পাশাপাশি আইসক্রিম কেবার, বাটি, কোণ, চকবার ও ইউরোকা পাওয়া যাচ্ছে।

এ বিষয়ে জেরিন নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ক্লাসের ব্রেক টাইমে আমরা অনেক সময় বাহিরে গিয়ে নাস্তা করতাম। কিন্তু এখন আর বাহিরে যেতে হয় না। ক্যাফেটেরিয়া চালু করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।’

সাহিদ নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অনেক দিন পর ক্যাফেটেরিয়া চালু করেছে এটা খুবই ভাল দিক। আমরা আগে কষ্ট করে নাস্তা করার জন্য পার্কের মোড়ে যেতাম। এখন আর সেখানে যেতে হচ্ছে না। আমরা সবাই চাই ক্যাফেটেরিয়া যেন আর বন্ধ না হয়। শিক্ষার্থীদের বহুল প্রত্যাশিত ক্যাফেটেরিয়া যেন চালু থাকে। এটা শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য নয় বরং শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সবাই এর সুবিধা ভোগ করবে।’

জনি আলম নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ক্যাফেটেরিয়া চালু হবার কথা শুনেই খুব আনন্দিত হয়েছিলাম। আজ সবাই এক সাথে বসে চা-বিস্কুট খাচ্ছি। এটা ক্যাম্পাসের একটি অন্য রকম সৌন্দর্য। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের চাওয়া তারা যেনো অতি দ্রুত ভাতের ব্যবস্থা করেন। তাহলে আর আমাদের খাবার খেতে ক্যাম্পাসের বাহিরে যেতে হবে না।’

ক্যাফেটেরিয়ার ম্যানেজার মো. আল-আমিন বলেন, ‘আমরা আমাদের কার্যক্রম সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করছি। শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা সব ধরনের খাবার তৈরি করব।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ক্যাফেটেরিয়ার পরিচালক মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কোনো খাবারের ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু এখন বহুল প্রত্যাশিত ক্যাফেটেরিয়া চালু হয়েছে। সবাই উপকৃত হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি ব্যক্তিগত ভাবে খুশি। এর ধারাবাহিকতা আমি ধরে রাখতে চাই। আমি মাঝে মাঝে ক্যাফেটেরিয়াতে যাই। খাবারের মান দেখি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা শিক্ষার্থীদের সম্পত্তি। তারা যদি ভালোভাবে আসে, খায় তাহলে আমরা এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারব। আমরা শিক্ষার্থীদের উপর নির্ভরশীল।’

উল্লেখ্য, আগামী বৃহস্পতিবার (১১জুলাই) থেকে ক্যাফেটেরিয়ায় ভাত পাওয়া যাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর