তারিকুল ইসলাম, শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর জেলা শহরের সজবরখিলা মহল্লার ফৌজিয়া মতিন পাবলিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী আনুসকা আয়াত ওরফে বন্ধন (১৪) হত্যা মামলায় ১০ জুলাই বুধবার দুপুরে তিন আসামীর উপস্থিতিতে আসামী পক্ষ ও বাদীপক্ষের শুনানী শেষে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে শেরপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ শরিফুর ইসলাম খাঁন। রিমান্ড প্রাপ্তদের মধ্যে স্কুলের পরিচালক আবু ত্বাহা সাদীকে ৫দিন, সাদীর স্ত্রী নাজনীন মোস্তারি ও তার ভাই শিবলীকে ৩ দিন করে পুলিশি হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
উল্লেখ্য, ৬ জুলাই শনিবার দুপুরে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল থেকে পুলিশ আনুসকা আয়াত ওরফে বন্ধনের লাশ উদ্ধার করে। শ্রীবরদী উপজেলার পূর্ব ছনকান্দা গ্রামের ওমান প্রবাসী আনোয়ার জাহিদ বাবু মৃধার মেয়ে বন্ধন শহরের সজবরখিলা এলাকার ফৌজিয়া মতিন পাবলিক স্কুলে বিগত ৬ বছর পূর্বে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে ছাত্রীনিবাসে থেকে ওই স্কুলে লেখাপড়া করত।
শনিবার সকালে বন্ধনকে তার কক্ষে উড়না পেঁচিয়ে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলে থাকতে দেখে এক ছাত্রী চিৎকার দিলে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেন। তবে বন্ধনের পরিবারের লোকজন দাবি করেন, তাকে (বন্ধনকে) হত্যার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে তার বাবা বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় ওই আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় শহরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।